ঐতিহ্যের পোগোজ স্কুল

১ / ৮
পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের মূল ভবন। এই ভবনে এখন শুধু প্রশাসনিক কাজ হয়। ক্লাস হয় নতুন ভবনে। ছবি: আবদুস সালাম
পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের মূল ভবন। এই ভবনে এখন শুধু প্রশাসনিক কাজ হয়। ক্লাস হয় নতুন ভবনে। ছবি: আবদুস সালাম
২ / ৮
পোগোজ স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ঢাকার আর্মেনি জমিদারপুত্র নিকোলাস পিটার পোগোজ বা নিকি পোগোজ। তিনি স্কুলটির প্রথম প্রধান শিক্ষকও ছিলেন। ছবি: আবদুস সালাম
পোগোজ স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ঢাকার আর্মেনি জমিদারপুত্র নিকোলাস পিটার পোগোজ বা নিকি পোগোজ। তিনি স্কুলটির প্রথম প্রধান শিক্ষকও ছিলেন। ছবি: আবদুস সালাম
৩ / ৮
নিকি আরমানিটোলায় নিজ বাড়িতে স্কুলটি শুরু করেছিলেন। ১৮৫৫ সালে নিকির বন্ধু জে সি পানিয়াটির বাসগৃহে এবং পরে ১৮৫৬ সালে আর্মেনি গির্জার পাশে সুধাময় হাউসে স্কুলটি স্থানান্তরিত হয়। ১৮৭৬ সালের পর কোনো এক সময় পোগোজ স্কুল বর্তমান জায়গায় স্থানান্তরিত হয়। ছবি: আবদুস সালাম
নিকি আরমানিটোলায় নিজ বাড়িতে স্কুলটি শুরু করেছিলেন। ১৮৫৫ সালে নিকির বন্ধু জে সি পানিয়াটির বাসগৃহে এবং পরে ১৮৫৬ সালে আর্মেনি গির্জার পাশে সুধাময় হাউসে স্কুলটি স্থানান্তরিত হয়। ১৮৭৬ সালের পর কোনো এক সময় পোগোজ স্কুল বর্তমান জায়গায় স্থানান্তরিত হয়। ছবি: আবদুস সালাম
৪ / ৮
স্কুলের বর্তমান দ্বিতল ভবনের (মূল ভবন) দ্বিতীয় তলার তিন দিকে প্রশস্ত বারান্দা আছে। ছবি: আবদুস সালাম
স্কুলের বর্তমান দ্বিতল ভবনের (মূল ভবন) দ্বিতীয় তলার তিন দিকে প্রশস্ত বারান্দা আছে। ছবি: আবদুস সালাম
৫ / ৮
মূল ভবনের দ্বিতীয় তলার সামনের দিকের বারান্দায় একটি সিঁড়ি আছে। ছবি: আবদুস সালাম
মূল ভবনের দ্বিতীয় তলার সামনের দিকের বারান্দায় একটি সিঁড়ি আছে। ছবি: আবদুস সালাম
৬ / ৮
সিঁড়িটি কাঠ দিয়ে তৈরি। সিঁড়ির গড়নে ঐতিহ্যের ছাপ মেলে। ছবি: আবদুস সালাম
সিঁড়িটি কাঠ দিয়ে তৈরি। সিঁড়ির গড়নে ঐতিহ্যের ছাপ মেলে। ছবি: আবদুস সালাম
৭ / ৮
১৯০১ সালে স্কুলটি পরিদর্শনে এসেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ। সেই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে স্কুল প্রাঙ্গণে স্থাপন করা হয় একটি ফলক। ছবি: আবদুস সালাম
১৯০১ সালে স্কুলটি পরিদর্শনে এসেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ। সেই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে স্কুল প্রাঙ্গণে স্থাপন করা হয় একটি ফলক। ছবি: আবদুস সালাম
৮ / ৮
স্মৃতিফলকে স্বামীজির বাণী। ছবি: আবদুস সালাম
স্মৃতিফলকে স্বামীজির বাণী। ছবি: আবদুস সালাম