কয়রার সাতকাহন

মে, জুন ও জুলাই মাস এলেই ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাস করা মানুষ। ঝড়ের প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয় উপকূলবর্তী এলাকা। খুলনার কয়রা উপজেলায় জলোচ্ছ্বাসের হাত থেকে বসতি রক্ষার জন্য বাঁধ তৈরি করা হয়েছিল কপোতাক্ষ নদের পাড়ে। ঝড়ের আঘাতে বাঁধের বেশ কয়েকটি স্থানে ভাঙন দেখা দেয়। এর মধ্যে কয়রার হরিণখোলা অন্যতম। ঘূর্ণিঝড় আম্পানে বাঁধ ভেঙে গেলে এলাকাবাসীর প্রচেষ্টায় রিং বাঁধ দেওয়া হয়েছিল অস্থায়ীভাবে। পরে তা পূর্ণিমার জোয়ারে আবার ভেঙে যায়। শেষে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে আবারও তৈরি করা হয় বাঁধের এই অংশ।

১ / ৭
রবি মণ্ডলের জীবনের সঙ্গে কপোতাক্ষ নদ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ঠিক যেখানে নদীর কিনারে রবি মণ্ডল বসে আছেন, সেখানে তাঁর বসতভিটা ছিল। এখানে বসেই দুপুরে ভাত খেয়ে বিশ্রাম নিতেন তিনি। ঘূর্ণিঝড় আম্পান তাঁর বসতভিটা কেড়ে নিয়েছে। হরিণখোলা এলাকা, কয়রা
২ / ৭
নদীভাঙনে পাঁচবার বসতবাড়ি পাল্টেছে গীতা মণ্ডলের পরিবার। বছরখানেক আগে বাঁধের ওপরে ঘর নির্মাণ করা হয়েছিল। ঘূর্ণিঝড় আম্পানে তা ভেঙে গেলে শেষে এখানে এসে আশ্রয় নিয়েছে। হরিণখোলা এলাকা, কয়রা
৩ / ৭
ব্লক ও বালুর বস্তায় মজবুত বাঁধ তৈরি হচ্ছে কপোতাক্ষ নদসংলগ্ন হরিণখোলা এলাকায়
৪ / ৭
আবদুল হাকিম শেকের ছোট ছেলে থাকতেন এই ভাঙা ঘরে। ঘূর্ণিঝড় আম্পানে হেলে পড়ার পর ঘরটি বসবাসের অযোগ্য হয়ে যায়। তখন ছেলে পরিবার নিয়ে খুলনা শহরে পাড়ি জমান। তিন দিন আগে বৈশাখের ঝড়ে ঘরের অবশিষ্ট অংশ ভেঙে যায়। ২ নম্বর কয়রা এলাকা
৫ / ৭
মঙ্গলবার দুপুরের দিকে আবহাওয়া ভালো ছিল। ঝড়বৃষ্টি আসার আগেই পুরোনো ঘর ভেঙে নতুন করে তোলার চেষ্টা করছে একটি পরিবার। কয়রা সদর এলাকা
৬ / ৭
ঘূর্ণিঝড় অশনির আঘাত হানার ভয়ে দুর্বল বাঁধ মেরামত করা হচ্ছে। কয়রা উপজেলার অনেক এলাকায় এমন দুর্বল বাঁধ রয়েছে। মদিনাবাদ এলাকা, কয়রা
৭ / ৭
ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে সকাল থেকে উপকূল অঞ্চলে কখনো রোদ্দুর, কখনো বৃষ্টি। দূরে কোথাও বৃষ্টি হচ্ছে, তা দেখে খেয়াঘাটে পার হওয়ার অপেক্ষায় চিন্তিত যাত্রীরা। মদিনাবাদ খেয়াঘাট, কয়রা