১১ জুন শুরু হচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপ। এ উপলক্ষে ইতিমধ্যে বিভিন্ন দলের জার্সি ও দেশের পতাকা নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে শুরু হয়েছে উন্মাদনা। দেয়ালে আঁকা হয়েছে পছন্দের খেলোয়াড়ের মুখচ্ছবি। সেখানে প্রিয় দলের জার্সি পরে চলছে ফুটবলের কসরত। কে এম দাস লেন, টিকাটুলী, ঢাকা, ৩ জুনছবি: সাজিদ হোসেন
২ / ১৭
গ্রীষ্ম-বর্ষা মৌসুমে মদনখালী খালে নিজের নৌকায় খেয়া পারাপার করে জীবিকা নির্বাহ করেন গৃহবধূ ফাতেমা বেগম। সারা দিন খেয়া বেয়ে আয় করেন ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। বালিয়াডাঙ্গী, ডিক্রির চর, সদর উপজেলা, ফরিদপুর, ৩ জুনছবি: আলীমুজ্জামান
৩ / ১৭
বাগেরহাটের ঐতিহাসিক খানজাহান আলী (রহ.)–এর মাজার–সংলগ্ন দিঘিতে থাকা একমাত্র কুমিরটি সরিয়ে নিচ্ছে প্রশাসন। বাগেরহাট, ৩ জুনছবি: ইনজামামুল হক
৪ / ১৭
তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। এর মধ্যে মাথা গামছা দিয়ে ঢেকে শিশুকে নিয়ে জরুরি কাজে বের হয়েছেন মা। নিউমার্কেট, পাবনা, ৩ জুনছবি: হাসান মাহমুদ
৫ / ১৭
জ্যৈষ্ঠের খরতাপে নাভিশ্বাস উঠছে। তৃষ্ণা নিবারণে পানি করছেন এক শ্রমিক। জামালপুর এলাকা, রাজশাহী, ৩ জুনছবি: শহীদুল ইসলাম
৬ / ১৭
হামে আক্রান্ত হয়ে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ৭ মাস বয়সী সাওদাকে নরসিংদী থেকে রাজধানীর ডিএনসিসি কোভিড-১৯ ডেডিকেটেড হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্বজনেরা। পরে শিশুটিকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। মহাখালী, ঢাকা, ৩ জুনছবি: শুভ্র কান্তি দাশ
৭ / ১৭
ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে উন্মাদনায় অনেকেই প্রিয় দলের পতাকা কেনেন। বিভিন্ন দেশের পতাকা বিক্রির জন্য শহরের অলিগলিতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন মৌসুমি পতাকা বিক্রেতারা। সাতমাথা, বগুড়া, ৩ জুনছবি: সোয়েল রানা
৮ / ১৭
ত্রুটিপূর্ণ ও পুরোনো ট্রাক থেকে নির্গত কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন সড়ক। যানবাহনের এমন ধোঁয়ায় বাড়ছে বায়ুদূষণ। কাঁচপুর ব্রিজ এলাকা, নারায়ণগঞ্জ, ৩ জুনছবি: তানভীর আহাম্মেদ
৯ / ১৭
ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনা এবার ছড়িয়েছে বল আর প্রিয় দলের পোশাক কেনায়। এবারের ফুটবল বিশ্বকাপের বলের নাম ‘ত্রিওন্দা’। এই বলের রেপ্লিকা বিক্রি হচ্ছে নগরের বিভিন্ন দোকানে। প্রিয় দলের পোশাক কেনার পাশাপাশি অনেকে কিনে নিচ্ছেন এই বল। বল বিক্রি হচ্ছে ৬৫০ থেকে ৯৫০ টাকা দামে। চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়াম এলাকা, ৩ জুনছবি: সৌরভ দাশ
১০ / ১৭
বাসার ছাদে ও বারান্দায় ফুলের গাছ লাগানোর জন্য নার্সারিতে গাছের চারা দেখছে একটি পরিবার। মাতুয়াইল এলাকা, ঢাকাছবি: তানভীর আহাম্মেদ
১১ / ১৭
গাছ থেকে সংগ্রহ করা কদম ফুল নিয়ে খেলায় মত্ত শিশুরা। পানবাজার, রংপুর। ৩ জুনছবি: মঈনুল ইসলাম
১২ / ১৭
কাঁঠাল, আনারস আর আমের ভাসমান হাট। বাগানিরা পাহাড়ের দুর্গম বিভিন্ন এলাকা থেকে নদীপথে রাঙামাটি শহরে এসব ফল এনেছেন বিক্রি করতে। তবে ক্রেতা কম থাকায় হতাশ তাঁরা। শত শত ইঞ্জিনচালিত ডিঙিভর্তি পাকা ফলের ঘ্রাণে ভরে উঠেছে রাঙামাটি শহর। বনরূপা সমতা ঘাট, রাঙামাটি, ৩ জুনছবি: সুপ্রিয় চাকমা
১৩ / ১৭
প্রখর রোদে ভুট্টা শুকাচ্ছেন এক কৃষক। শ্যামপুর, সদর, রংপুর। ৩ জুনছবি: মঈনুল ইসলাম
১৪ / ১৭
গাছে বসে পাকা কাঁঠাল খাচ্ছে বানরটি। গ্রীষ্মকালে সিলেট নগরের শাহি ঈদগাহ এলাকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের আবাসিক এলাকায় এই দৃশ্য প্রায়ই দেখা যায়। বানরদের কখনো একা একা, কখনো দলবেঁধে কাঁঠালগাছে বিচরণ করতে দেখা যায়। শাহি ঈদগাহ এলাকা, সিলেট, ৩ জুনছবি: আনিস মাহমুদ
১৫ / ১৭
মাটির তৈরি বাসনকোসন পোড়ানো শেষে বিক্রির জন্য বের করছেন একটি কুমার পরিবারের নারী সদস্যরা। পালপাড়া, রংপুর, ৩ জুনছবি: মঈনুল ইসলাম
১৬ / ১৭
অসময়ের পদ্মার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি। চোখের পলকে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ফসল ও সবজির খেত। আতঙ্কে দিন পার করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দেবগ্রাম উত্তর কাওয়ালজানি এলাকা, রাজবাড়ী, ৩ জুনছবি: এম রাশেদুল হক
১৭ / ১৭
জাল ঘিরে ঘেরের মাছ ধরছেন ঘেরের শ্রমিকেরা। আমভিটা, ডুমুরিয়া উপজেলা, খুলনা, ৩ জুনছবি: সাদ্দাম হোসেন