নেপালে উদ্ধারকাজ ও মানুষের সংগ্রাম

হিমবাহ ধসে সৃষ্টি হওয়া আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধস নেপালের জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। বিশেষ করে রাসুয়া এবং নুয়াকোট জেলার ভোটেকোশি ও ত্রিশুলী নদী অববাহিকায় এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে। এই দুর্যোগে নেপালে অন্তত ১ হাজার ২৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং এখনো ৫ হাজার ৮৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন। প্রধান সেতু ও যোগাযোগব্যবস্থা ভেসে যাওয়ায় বহু মানুষ পানিবন্দী বা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন, যার ফলে নদী পারাপারে ঝুঁকিপূর্ণ অস্থায়ী ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। অন্যদিকে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে দীর্ঘ ৯ দিন আটকে থাকা শ্রমিকদের অবিশ্বাস্যভাবে জীবিত উদ্ধার করার মতো ঘটনাও ঘটেছে। দুর্যোগের পরবর্তী উদ্ধারকাজ, ক্ষয়ক্ষতি ও মানুষের টিকে থাকার সংগ্রামের কিছু চিত্র নিয়ে আজকের ছবির গল্প

১ / ১০
ত্রিশুলী-৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাঁদেরই একজন কবির মহারজান। তাঁকে নিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা
ছবি: রয়টার্স
২ / ১০
এই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকে থাকা এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা করছেন অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা
ছবি: রয়টার্স
৩ / ১০
প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে জীবিত উদ্ধার হওয়া অপর এক ব্যক্তিকে বহন করে নিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা
ছবি: রয়টার্স
৪ / ১০
সুড়ঙ্গ থেকে দীর্ঘ ৯ দিন পর সঞ্জয় সাহ নামের এক ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। আকাশপথে কাঠমান্ডু পাঠাতে নুয়াকোটের একটি সেনাঘাঁটি থেকে তাঁকে নিয়ে যাচ্ছেন সেনাসদস্যরা
ছবি: রয়টার্স
৫ / ১০
ভয়াবহ বন্যায় সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় কোলনি এলাকার বাসিন্দারা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। নদী পার হতে তাঁরা খাঁচায় চড়ে একটি অস্থায়ী জিপলাইন ব্যবহার করছেন
ছবি: রয়টার্স
৬ / ১০
নদী পার হওয়ার জন্য কোলনি এলাকায় অস্থায়ী জিপলাইনের খাঁচায় চড়ার অপেক্ষায় স্থানীয় বাসিন্দা
ছবি: রয়টার্স
৭ / ১০
আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের পর নুয়াকোট জেলার ত্রিশুলীতে একটি ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি
ছবি: রয়টার্স
৮ / ১০
অস্থায়ী জিপলাইনের মাধ্যমে নদী পার হচ্ছেন মানুষ। এ সময় উদ্ধারকর্মীরা সেই খাঁচা টেনে নিচ্ছেন
ছবি: রয়টার্স
৯ / ১০
নুয়াকোটের একটি অস্থায়ী ত্রাণশিবিরের বাইরে বন্যাদুর্গত নিখোঁজ মানুষদের ছবি দেখছেন কয়েকজন
ছবি: এএফপি
১০ / ১০
আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে রাসুয়া জেলার স্যাব্রুবেশি শহরে রাস্তার ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকে থাকা একটি গাড়ি
ছবি: এএফপি