বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিএনপির চেয়ারপারসনের পরিবারের একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র প্রথম আলোকে বলেন, খালেদা জিয়া খুবই অসুস্থ। তারা তাঁর মুক্তি চেয়েছিলেন চিকিৎসা করাবেন বলে। কিন্তু যখন তিনি মুক্তি পান তখন করোনা মহামারির কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়াটা সম্ভব হয়নি। তা ছাড়া বিএনপি চেয়ারপারসন সর্বশেষ চিকিৎসা নিয়েছেন যুক্তরাজ্যের লন্ডনে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রেও চিকিৎসা নিয়েছেন। গত প্রায় বছর ফলোআপ চিকিৎসা হচ্ছে না। এ কারণে এবার আরও লম্বা সময়ের জন্য খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করেছেন। তাঁর চান যেন খালেদা জিয়ার স্থায়ী জামিন দেওয়া হয়। সে ব্যাপারে সরকারপ্রধান যেন ব্যবস্থা নেন।

ছয় মাসের জন্য খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হলেও সরকার সেখানে শর্ত জুড়ে দেয়। সেখানে বলা হয় খালেদা জিয়া বিদেশ যেতে পারবেন না। এবার এই শর্তটি বাতিল চান পরিবার।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার পরিবারের আবেদনটি তারা পেয়েছেন। যেহেতু ছয় মাস মেয়াদ শেষ হচ্ছে তাই তা বাড়ানোর জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে। তিনি বলেন, আবেদনটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এরপর আরও কিছু ধাপ রয়েছে। সেগুলো শেষ করে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। তারপর সিদ্ধান্ত পাওয়া যাবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের কাছে আবেদন করেছেন। যেহেতু মুক্তির ছয় মাস শেষ হতে চলেছে। আবেদনে পরিবার মেয়াদ বাড়ানোর কথা বলেছেন।’

২০১৭ সালের ১৫ জুলাই খালেদা জিয়া সর্বশেষ লন্ডনে গিয়ে চোখের ও পায়ের চিকিৎসা নিয়েছিলেন। তিন মাস সেখানে অবস্থান করে ১৮ অক্টোবর দেশে ফেরেন। তাঁর এবারের চিকিৎসার জন্যও লন্ডনের কথাই বেশি উচ্চারিত হচ্ছে।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আইনজীবী মাহবুবউদ্দীন খোকন আজ শনিবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসনের বাসার সামনে সাংবাদিকদের বলেন, পরিবার খালেদা জিয়ার দেশে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাজার মেয়াদ স্থগিত আরও বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন