বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রিজভী অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা না নেওয়ার ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ‘কারণ, বিশ্বের অনেক দেশ ও সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন নিয়ে সন্দেহ ও আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। সে সময় এমনও বলা হয়েছিল যে সেরামের তৈরি ভ্যাকসিন কার্যকর কি না, তা দেখার জন্য বাংলাদেশে ট্রায়াল করা হবে। এসব কারণে মানুষের মনে সন্দেহ আরও বেড়ে গিয়েছিল। সেই ভ্যাকসিন আসলেই ভালো না মন্দ, তখন পর্যন্ত সেটারও কোনো স্বীকৃতিও মেলেনি। সে জন্য আমি করোনার ঝুঁকি নিয়েও সেরাম ইনস্টিটিউটের ভ্যাকসিন নিইনি।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমি বলেছিলাম, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি করোনার ভ্যাকসিন নেব না এবং নিইনি। ওই টিকা না নিয়েই আমাকে চার মাস কোভিডে ভুগতে হয়েছে। এখন আমি মডার্নার ভ্যাকসিন নিয়েছি। কারণ, সেটা যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি।’
তথ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘তথ্যমন্ত্রী মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করছেন। তথ্যমন্ত্রী চোখেও কম দেখেন, কানেও কম শোনেন। ফলে তথ্যমন্ত্রীসহ অন্যরা আমাদের বক্তব্য ভালোভাবে শোনেননি।’

চলমান টিকা কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, বলা হচ্ছে গণটিকা। অথচ গণমাধ্যমে খবর আসছে, দীর্ঘ লাইনেও মিলছে না করোনার টিকা। আসলে ক্ষমতার নেশায় আচ্ছন্ন আওয়ামী সরকার কোনো সময়ই ন্যায়নীতির তোয়াক্কা করেনি, তারা শুধু লোপাট করেছে। যে কারণে আজকে ঢাকাসহ গ্রামগঞ্জে মানুষ করোনার চিকিৎসা পাচ্ছেন না। সরকারের একটি সিন্ডিকেট স্বাস্থ্য খাতের টাকা লোপাট করেছে।

গাজীপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সালাউদ্দিন সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সদস্যসচিব সোহরাব উদ্দিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা অংশ নেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন