এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তাদের আমরা বলব, আপনারা সংবিধান অনুযায়ী কাজ করুন। আপনারা কোনো রাজনৈতিক দল নন। দলের হয়ে কাজ করবেন না। একটি দল আজীবন ক্ষমতায় থাকবে না। ক্ষমতায় পরিবর্তন হবে, তবে আপনাদের কাজ করতে হবে।’

এ সময় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, যাঁরা হালাল উপার্জন করেন, তাঁরা এখন চলতে পারছেন না। হালাল উপার্জন করার মানুষ হচ্ছেন শ্রমজীবী মানুষেরা। আর এ বৃহৎসংখ্যক মানুষের নেতৃত্ব দেয় বিএনপি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার প্রতিবাদে কর্মসূচি গ্রহণ করেছিল বিএনপি। সরকার বলে কথা বলার সুযোগ আছে, গণতন্ত্র আছে। কিন্তু আমরা কোনো কর্মসূচি করলেই তারা ভয় পায়। কারণ, তারা ভয়ে আছে, যেকোনো সময় জনবিস্ফোরণ হবে। তিনি আরও বলেন, অন্যায় করতে করতে পাপের ভাগ পূর্ণ হয়ে গেছে সরকারের। দেশের বৃহৎসংখ্যক মানুষকে অসন্তুষ্ট রেখে ক্ষমতায় থাকা সম্ভব নয়।

নজরুল ইসলাম বলেন, ‘যদি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ক্ষমতা পরিবর্তন হয়, শুধু হারের লজ্জা পাবেন। আর জনগণ যদি আপনাদের বেছে নেয়, আমরাও আপনাদের গ্রহণ করব। জনগণকে সুযোগ দিন।’

তবে সরকারকে উদ্দেশ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, ‘জনগণ আপনাদের কর্মকাণ্ড মেনে নেবে না। এরপর আমাদের কর্মসূচি আরও বড় হবে। আরও কার্যকর হবে।’

মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালাম, বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনসহ বিএনপি ও এর বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন