default-image

হেফাজতে ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা আমির শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড উল্লেখ করে এর বিচার চেয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। আজ বুধবার দুপুরে ঢাকায় নিজ বাসভবনে সীমিত পরিসরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তথ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি এ কথা বলেন।

আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তথ্যমন্ত্রী গতকাল মঙ্গলবার ইউরোপ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন। এরপর পবিত্র রমজান মাস ও বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন উপলক্ষে তিনি এ মতবিনিময়ের আয়োজন করেন।


আহমদ শফী হত্যা মামলায় হেফাজতের বর্তমান আমির জুনায়েদ বাবুনগরী, যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকসহ ৪৩ জনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) । এ প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘নির্যাতনের মাধ্যমে মাওলানা শফীর মৃত্যুর ঘটনার বিচার চেয়ে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়। দীর্ঘ তদন্তের পর পিবিআই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।’

বিজ্ঞাপন

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘নির্যাতনের মাধ্যমে আহমদ শফীকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট এবং তখনকার পত্রপত্রিকায় এ বিষয়ে সংবাদ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্যাতনের বিভিন্ন চিত্র প্রকাশিত হয়েছিল। চরম অসুস্থতাকালে তাঁর কক্ষ ভাঙচুর করা, হাসপাতালে নেওয়ার পথে এক ঘণ্টা গাড়ি আটকে রাখা, অক্সিজেন টিউব খুলে নেওয়া, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা—এসবই সবাই দেখেছে।’


তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মাওলানা শফী সাহেব আমার নির্বাচনী এলাকার ও আমার পাশের ইউনিয়নের একজন আলেম ছিলেন। তাঁর মতাদর্শ নিয়ে নানা কথা থাকলেও মানুষ হিসেবে তিনি ছিলেন সজ্জন। যাঁরা মামলা করেছেন, তাঁরাও আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষ। আমি চাই, আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষ মাওলানা শফী সাহেবকে যারা নির্যাতন করে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে, তাদের উপযুক্ত দৃষ্টান্তমূলক বিচার হোক।’

করোনা সংক্রমণ রোধে লকডাউনের বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মন্তব্য সম্পর্কে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণকে মহামারির হাত থেকে রক্ষার জন্যই সরকার লকডাউনের ব্যবস্থা নিয়েছে। বিশ্বের দেশে দেশেও একই ব্যবস্থা। কিন্তু দুঃখজনক, মির্জা ফখরুল সাহেবদের কথা শুনে মনে হয়, তাঁরা চান, দেশে করোনা সংক্রমণ আরও ব্যাপক বৃদ্ধি পাক, প্রতিদিন দেশে শত শত মানুষের মৃত্যু হোক, তাহলে তাঁদের রাজনীতিতে সুবিধা হয়।’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন