বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আ স ম আবদুর রব বলেন, ফ্যাসিবাদ, স্বৈরাচারকে এককভাবে ক্ষমতা থেকে পৃথিবীর কোনো দেশই সরাতে পারেনি। দেশের জনগণ কোনো ব্যক্তি সরকার চায় না। জনগণ তাদের নিজের সরকার চায়, পেশাজীবীদের সরকার চায়, শ্রমজীবীদের সরকার চায়, কৃষকদের সরকার চায়। সে যে রাষ্ট্রের মালিক, এর দলিল সে পেতে চায়।

স্বাধীনতার ৫০ বছরে বাংলাদেশ অনেকখানি পিছিয়ে গেছে মন্তব্য করে বাংলাদেশ গণ অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক রেজা কিবরিয়া বলেন, এই সরকার কথায় গণতন্ত্র, কিন্তু কাজে পাকিস্তানের আইয়ুব খান। আইয়ুব খানের আমলে জেলে গেলে মারধর, টর্চার করা হতো না, জামিন পাওয়া যেত, যা এ আমলে হয় না। এত এত অপরাধ বর্তমানে ঘটে যে মনে রাখাও যায় না। তিনি বলেন, ‘এই সরকারের বিরোধিতা করলে টিকে থাকা কঠিন। আমরা আওয়ামী লীগের অধীনে কোনো নির্বাচনে যাব না, কোনো ইচ্ছেও নেই।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আসিফ নজরুলের প্রশ্ন, বাংলাদেশ এমন একটা দেশ, যেখানে অনেক অনাচার, অত্যাচার ও অসাম্যমূলক ঘটনা ঘটেছে। ব্রিটিশ-পাকিস্তান আমলে কি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের টাকা লুটপাট হয়েছে, কোনো আমলে কি বালিশের দাম ৪০ হাজার টাকা হয়েছিল, কোনো আমলে কি দিনের ভোট রাতে হয়েছিল? তিনি বলেন, এর চেয়ে জঘন্য অবস্থা বাংলাদেশের ইতিহাসে কখনো ছিল না। বলা হয়, উন্নয়ন হচ্ছে।

উন্নয়ন বলতে বড় বড় ভবন, অবকাঠামো দেখানো হয়। সবচেয়ে বড় ভবন তো জেলখানা। পাকিস্তানের জেলখানা থেকে এখন বাংলাদেশের জেলখানায় বন্দী জনগণ।

ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব নুরুল হক বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরে এসে বাংলাদেশ স্থিতিশীল নয়। স্থিতিশীল হলে বাংলাদেশ অনন্য উচ্চতায় থাকত। মুক্তিযুদ্ধের মৌলিক চেতনা সাম্য, মানবিক মর্যাদা, বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক একটা রাষ্ট্র, সে জায়গা থেকে বাংলাদেশ সরে এসেছে। এখন বিশ্ব বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে মূল্যায়ন করে না।

বাংলাদেশ পেশাজীবী অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক জাফর মাহমুদের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ফটোসাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজল, পেশাজীবী অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান, ফারুক হাসান প্রমুখ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন