বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ রোববার সন্ধ্যায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সভায় মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি গঠিত স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন কমিটি এ সভার আয়োজন করে।

মির্জা ফখরুল বলেন, মাওলানা ভাসানী সন্তোষে কোনো প্রাসাদ তৈরি করেননি। তিনি কুঁড়েঘরে থাকতেন। নিচে মাটি চারদিকে বাঁশের বেড়া দেওয়া, এই ঘরে মাওলানা থাকতেন। ব্রিটিশ, পাকিস্তান ও পরবর্তীকালে বাংলাদেশে—তিনটি অধ্যায় পার করেছেন অত্যন্ত দাপটের সঙ্গে। তিনি ‘খামোশ’ বললে সবাই থেমে যেত।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘স্বাধীনতার জন্য যে কজন মানুষের অবদান আছে, তার মধ্যে মাওলানা ভাসানী নিঃসন্দেহে অন্যতম একজন। আজকে আমাদের যে অস্তিত্ব। আমরা যে টিকে আছি, বেঁচে আছি, একটা আলাদা স্বাতন্ত্র্য নিয়ে আছি, এর অন্যতম নির্মাতা ভাসানী।’

ভাসানচর থেকে ভাসানী নাম এসেছে জানিয়ে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, তিনি সেখানে ছুটে বেড়াতেন ঘোড়া নিয়ে। সেখানে নির্যাতিত মানুষের জন্য দ্রুত এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতেন, এ জন্য তাঁর নাম দিয়েছে ভাসানী। দেশের খেটে খাওয়া মানুষের পরিবর্তনের জন্য এভাবে সারাটা জীবন ছুটে বেড়িয়েছেন।

দেশের বাইরে নিয়ে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার অনুমতি না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি (খালেদা জিয়া) অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে আছেন। চিকিৎসকেরা বলছেন, দেশের বাইরে তাঁর চিকিৎসা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু সেই অনুমতি পাওয়া যাচ্ছে না। সেই সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে না।

অবিলম্বে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হোক। তা না হলে এই সরকারের পতনের এক দফা আন্দোলন শুরু হবে।

একই অনুষ্ঠানে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, দেশের মানুষ শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতে জীবন যাপন করছে। ক্ষোভ, দুঃখ আর ক্রোধ মানুষের মনে। খালেদা জিয়া বিনা কারণে জেলে, আজ মৃত্যুপথযাত্রী। দেশে গণতন্ত্র নেই, ভোটের অধিকার নেই। এর অবশ্যই বিস্ফোরণ ঘটবে।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন