বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জানা গেছে, বৈঠকের শুরুতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্রের সংকট। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সবার মতামত নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বৈঠকে উপস্থিত একটি সূত্র জানায়, পেশাজীবী বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা বলেছেন, সরকারের পতন ঘটাতে একমাত্র দাবি নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন। এ লক্ষ্যে কঠিন সংকল্প নিয়ে এক দফার আন্দোলনে নামতে হবে। আর কোনো দাবির প্রয়োজন নেই। কারণ, বেশি দাবি যুক্ত হলে মূল দাবি দুর্বল হয়ে যায়। এ আন্দোলনের নেতৃত্ব বিএনপিকেই দিতে হবে।

বৈঠকে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন, আইনজীবী ফোরাম, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন, ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন, অ্যাগ্রিকালচার অ্যাসোসিয়েশন, শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোট, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী ফোরাম, ঢাকা আইনজীবী সমিতি, এমবিএ অ্যাসোসিয়েশন, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন, ডিপ্লোমা অ্যাগ্রিকালচার অ্যাসোসিয়েশন, নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন, টেক্সটাইল অ্যাসোসিয়েশন, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটসহ ২০টি পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠকে পেশাজীবী সংগঠনের নেতাদের মধ্যে ছিলেন জয়নাল আবেদীন, নিতাই রায় চৌধুরী, আহমেদ আজম খান, ফজলুর রহমান, অধ্যাপক ফরহাদ ডালিম, মাহবুব উদ্দিন খোকন, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, রুহুল কুদ্দুস কাজল, তৈমুর আলম খন্দকার, রাগীব রউফ চৌধুরী, অধ্যাপক হারুন আল রশিদ, ডা. আবদুস সালাম, ডা. আবদুস সেলিম, ডা. সিরাজুল ইসলাম, ডা. শফিকুল হায়দার, প্রকৌশলী মাহবুব আলম, রিয়াজুল ইসলাম, সেলিম ভূঁইয়া, শামীমুর রহমান, গাজী কামরুল ইসলাম, কৃষিবিদ রাশিদুল হাসান, জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমান ও অধ্যাপক গোলাম হাফিজ।

এর আগে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব দুই দফায় গত ১৪–১৬ সেপ্টেম্বর এবং ২১–২৩ সেপ্টেম্বর দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করেন। মোট ছয় দিনের বৈঠকে বিএনপিকে বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার পরামর্শ দেন নেতারা। একই সঙ্গে নির্দলীয় সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করতে মত দেন তাঁরা। ওই বৈঠকের ধারাবাহিকতায় পেশাজীবীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে দলটি।

দলীয় সূত্র জানায়, আগামী সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে কর্মপন্থা ঠিক করতে এবার পেশাজীবীদের সঙ্গে বৈঠক করে তাঁদের মতামত নিচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। আজ শনিবারও পেশাজীবীদের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে। দুদিনে ৩২টি পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা অংশ নেবেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন