তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ পরিবারের সদস্যরা হত্যাকাণ্ডে নিহত হন। এরপর বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানাকে সাহস দিয়ে আগলে রাখার মহান ও দুরূহ কাজটি ওয়াজেদ মিয়া করেছেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘২০০১ থেকে ২০০৬ সালে বিএনপি আমলে নানা মানসিক নির্যাতন এবং পরে জরুরি অবস্থার সরকারের সময় শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর ওপর যে মানসিক নির্যাতন হয়েছে, তারপর ওয়াজেদ মিয়া যে অসুস্থ হয়ে পড়েন, সেখান থেকে সুস্থ হয়ে ফিরতে পারেননি।’

বিএনপির নেতা রুহুল কবির রিজভীর মন্তব্য, ‘ওবায়দুল কাদের বিএনপির উপদেষ্টা’ নিয়ে তথ্যমন্ত্রীর কাছে মতামত জানতে চান সাংবাদিকেরা। এ সময় মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বিএনপির মঙ্গল চাইলেও তারা নিজেরা আত্মহনন চায়। তারা যেসব পদক্ষেপ বিভিন্ন সময়ে নিয়েছে বা নিচ্ছে, এগুলো আত্মহননমূলক। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএনপিকে আত্মহননের পথ পরিহার করার পরামর্শ দিয়েছেন যেটি সঠিক পরামর্শ। এখন তারা সেটি গ্রহণ করবে, নাকি ক্রমাগতভাবে আত্মহননের পথে হাঁটবে, সেটি বিএনপির ব্যাপার।’

বিএনপির মহাসচিবের বক্তব্য, ‘সরকারের পদত্যাগ ছাড়া বিএনপি নির্বাচনে যাবে না,’ এরও জবাব দেন হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই বিএনপি নির্বাচনে আসুক।

আমাদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুক, তাদের জনপ্রিয়তা যাচাই করুক। কিন্তু বিএনপিকে নির্বাচন ভীতিতে পেয়ে বসেছে। আসলে ‘‘নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা’’ একটা প্রবাদ আছে, বিএনপির ক্ষেত্রে এটিই প্রযোজ্য। আশা করব বিএনপি নির্বাচন-ভীতি কাটিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।’

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফী, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ূন কবির, ঢাকা উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান প্রমুখ মিলাদ ও দোয়ায় অংশ নেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন