বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

টেলিভিশন, খবরের কাগজ বা অন্তর্জালের জন্য সংবাদ প্রযোজনা ও পরিবেশন করেন এমন সাংবাদিক ও ভাষ্যকারেরা সেন্টারটি থেকে উপকৃত হবেন বলে কলকাতা প্রেসক্লাবের সভাপতি স্নেহাশিস সুর প্রথম আলোকে জানান। তিনি বলেন, সেন্টারটি থেকে মূলত উপকৃত হবেন ফটোসাংবাদিকেরা।

এই কেন্দ্র কলকাতা প্রেসক্লাবকে বাংলাদেশের ‘উপহার’ হিসেবে উল্লেখ করে স্নেহাশিস সুর বলেন, এটিকে সাজাতে যা যা প্রয়োজন, তার সবই বাংলাদেশ সরকার দিয়েছে।
স্নেহাশিস বলেন, ‘মনে রাখা প্রয়োজন, বাংলাদেশের স্বাধীনতাসংগ্রামে কলকাতা প্রেসক্লাবের একটা বিরাট অবদান রয়েছে। সেই অবদানের স্বীকৃতি দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুও। তিনি ১৯৭২ সালে তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক সফরে কলকাতা প্রেসক্লাবের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন।’

স্নেহাশিস বলেন, ‘নিরাপত্তার কারণে সেই অনুষ্ঠান রাজভবনে করা হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি আমাদের মনে হয়েছে, ১৯৪৫ সালে স্থাপিত উপমহাদেশের সাংবাদিকদের প্রাচীনতম এই মিলনস্থলে যদি এই সময়ে কিছু একটা করা যায়, তবে আরও ভালো কিছু হয়। কারণ, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ সবে পূর্ণ হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর উদ্‌যাপিত হচ্ছে। আর কলকাতা প্রেসক্লাবও সবে ৭৫ পেরোল।’

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে রণাঙ্গন থেকে সংবাদ পরিবেশনে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে কলকাতার পাঁচ সাংবাদিককে প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ‘মুক্তিযুদ্ধ সুবর্ণজয়ন্তী কলম সেনা সম্মাননা’ প্রদান করা হয়।

কলকাতায় বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার তৌফিক হাসান কলকাতা প্রেসক্লাবকে ধন্যবাদ দিয়ে বাংলাদেশের সাংবাদিকদের (যাঁরা কলকাতা থেকে বাংলাদেশে খবর পাঠান) সরকারি পরিচয়পত্র প্রদানের অনুরোধ জানান। অনুরোধ বিবেচনা করা হবে বলে জানান স্নেহাশিস।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন