বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কল্যাণ পার্টির সভাপতি সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম সবাইকে দলীয় ক্যাপ পরিয়ে এবং একটি ফুলের স্টিকার দিয়ে দলে বরণ করেন। এ সময় কল্যাণ পার্টির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অব. হাসান নাসির, ফোরকান ইবরাহিম, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব নুরুল কবিরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কল্যাণ পার্টিতে যোগ দিয়ে এবি পার্টির ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটির সাবেক সভাপতি নাজমুল হুদা বলেন, ‘আমরা আরেকটা রাজনৈতিক মুক্তিযুদ্ধ করতে চাই। এর জন্য একজন নেতা দরকার, সেই নেতা আমরা পেয়ে গেছি।’

জামায়াতে ইসলামীর সংস্কারপন্থী একটি দল গত বছরের ২ মে এবি পার্টি নামে দল গঠন করে। এর আহ্বায়ক হন সাবেক সচিব এ এফ এম সোলায়মান চৌধুরী ও সদস্যসচিব হন ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মুজিবুর রহমান মঞ্জু। এবি পার্টির প্রধান দুই নেতাই জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ছিলেন।

নতুন দল ঘোষণার দিন ২২২ সদস্যের এবি পার্টির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়, যাঁদের অধিকাংশই জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এর উদ্যোক্তা জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের একদল সংস্কারপন্থী নেতা-কর্মী, যাঁরা একাত্তরে স্বাধীনতাবিরোধী ভূমিকার জন্য জামায়াতের ক্ষমা না চাওয়া এবং দলটির বাস্তবভিত্তিক সংস্কারের পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষুব্ধ ছিলেন।

দল গঠনের এক বছর সাড়ে চার মাসের মাথায় একসঙ্গে দল ছেড়ে গেলেন নয়জন গুরুত্বপূর্ণ নেতা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে এবি পার্টির আহ্বায়ক এ এফ এম সোলায়মান চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘তাঁরা গত পরশু (বুধবার) পদত্যাগ করেছেন। আমরা তাঁদের ওয়েলফেয়ারও দিয়েছি। এখন তাঁরা পছন্দের যেকোনো দলে যেতেই পারেন। বিদায় নেওয়ার পর তাঁদের বিষয়ে কথা বলতে আমার রুচিতে বাধছে।’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন