বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তবে প্রত্যক্ষদর্শী ও অনুষ্ঠানে উপস্থিত সূত্র জানায়, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের উপস্থিতিতে বিকেল সোয়া চারটায় অনুষ্ঠান শুরু হয়। এর ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট পর উত্তরা পূর্ব থানার একদল পুলিশ ‘ফুগল রেস্টুরেন্ট ও পার্টি সেন্টারে’ যায়। তখন সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এ সময় পুলিশ অনুষ্ঠান বন্ধ করতে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষকে চাপ দেয়। একপর্যায়ে রেস্টুরেন্টের বিদ্যুৎ–সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এরপর পুলিশ অনুষ্ঠানে অর্ডার করা খাবার সরবরাহ না করার নির্দেশ দেয়। একপর্যায়ে সৈয়দ ইবরাহিম বক্তব্য শেষ না করেই অনুষ্ঠান শেষ করেন।

পরে এ বিষয়ে কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম প্রথম আলোকে বলেন, ‘পুলিশ সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমকে বক্তব্য দিতে দেবে না। বিদ্যুৎ–সংযোগ কেটে দিয়েছে। আমাদের খানা খাইতে দেয়নি। তবু আমরা অনুষ্ঠান শেষ করেছি। আমাদের গণযোগদানও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে।’

সৈয়দ ইবরাহিম বলেন, ‘অনুষ্ঠানের বিষয়ে পুলিশকে আগে জানানো হয়েছিল এবং অনুমতি নেওয়া হয়েছিল। তারপরও এ ধরনের বাধা দেওয়া অগণতান্ত্রিক আচরণের বহিঃপ্রকাশ। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

অবশ্য উত্তরা পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জহুরুল হক প্রথম আলোকে বলেন, ‘রাজনৈতিক অনুষ্ঠান করতে হলে পুলিশের অনুমতি নিতে হবে না? তাঁরা খাওয়ার অনুষ্ঠানের কথা বলেছিলেন। সেখানে এ ধরনের অনুষ্ঠান শুরু করলে হোটেল কর্তৃপক্ষই বিদ্যুৎ–সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। ওনাকে (সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম) জিজ্ঞেস করেন তো, পুলিশ রুমে গেছে কি না?’

অবশ্য কল্যাণ পার্টির পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানের একটি অনুমতিপত্র সাংবাদিকদের দেওয়া হয়। তাতে দেখা যায়, ২৫ সেপ্টেম্বর বেলা তিনটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত আলোচনা সভা ও যোগদান অনুষ্ঠান করতে উত্তরা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার বরাবর আবেদন করা হয়। আবেদনে নিশ্চয়তা দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণ, গঠনমূলক ও ইনডোরে হবে।

কল্যাণ পার্টির দায়িত্বশীল নেতারা জানান, এবি পার্টির ঢাকা মহানগর উত্তরের পুরো কমিটি কল্যাণ পার্টিতে যোগ দিয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর এবি পার্টির ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি নাজমুল হুদা কল্যাণ পার্টিতে যোগ দেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন