কোনো আদালতের নজির আছে কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক
ফাইল ছবি

অসুস্থ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর অনুমতি দিতে বিএনপির ১৫ জন আইনজীবী স্মারকলিপিতে যে বক্তব্য দিয়েছেন, সে বিষয়ে উপমহাদেশের কোনো আদালতের কোনো নজির আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনো তা শেষ হয়নি, প্রায় শেষ প্রান্তে। কিছুদিনের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত পাওয়া যাবে।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এ কথা জানিয়েছেন। আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে নিজ আবাসিক কার্যালয়ে বুয়েটের ছাত্র আবরার হত্যা মামলার রায়ের বিষয়ে সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সম্প্রতি বিএনপিপন্থী ১৫ জন আইনজীবী সচিবালয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মানবিক কারণে চিকিৎসার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের কাছে স্মারকলিপি দেন।

বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা স্মারকলিপিতে বলেছিলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ (১)–এর ধারামতে সরকার যেকোনো সময় শর্তহীনভাবে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করে বা ৪০১–এর ৬ উপধারা মোতাবেক বিশেষ আদেশ দিয়ে খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারে।

সেদিন জবাবে আইনমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘এটি তাঁরা পরীক্ষা করবেন এবং এ নিয়ে আলোচনা করবেন। যতটুকু গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়, সেভাবেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

খালেদা জিয়ার বিষয়ে আইনমন্ত্রী আজ আরও বলেছেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারায় যে দরখাস্ত একবার নিষ্পত্তি হয়ে থাকে, সেই দরখাস্তকে আবার পুনরুজ্জীবিত করার কোনো ‘স্কোপ’ নেই। এই আইনি ব্যাখ্যা সঠিক।