বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত এ সমাবেশ হয়। সমাবেশে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতা–কর্মী অংশ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘আমার দলের ভাইবোনদের উদ্দেশে আমি একটা কথা বলতে চাই, হঠকারিতা করবেন না। অতীতে হঠকারিতার জন্য আমাদের অনেক মূল্য দিতে হয়েছে। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করব এবং তাঁকে সুচিকিৎসার জন্য বাইরে পাঠাব।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘এই সরকার সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। তারা মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে দিয়েছে। আজকে সারা দেশে দ্রব্যমূল্য আকাশছোঁয়া। তাই আসুন এই সরকারকে বিদায় করার জন্য আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, আসুন ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আগামী দিনে নিরপেক্ষ সরকার গঠন করে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করি।’

নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আগামী ২৪ তারিখ বুধবার বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তাঁর সুচিকিৎসার দাবিতে সারা দেশের জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। এর পরও যদি খালেদা জিয়াকে মুক্তি না দেওয়া হয়, তাহলে আমাদের আন্দোলন আরও কঠোর থেকে কঠোর হবে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে তাঁর উন্নত চিকিৎসায় বাধা দেওয়ার অর্থ হচ্ছে তাঁকে হত্যার ষড়যন্ত্র। অবিলম্বে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন। নতুবা এ বিলম্বের কারণে আপনাদের অনেক বিড়ম্বনায় পড়তে হবে।’

default-image

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আব্দুস সালাম ও আমানউল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, কেন্দ্রীয় নেতা নাজিম উদ্দিন আলম, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ইশরাক হোসেন প্রমুখ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন