খালেদা জিয়ার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে আরও যান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সেলিমা রহমান।

রাত ১০টার দিকে খালেদা জিয়ার বাসা থেকে বের হয়ে এসে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া সিলেট, সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনায় যেখানে বন্যায় মানুষ প্লাবিত হয়েছে, এই দুর্গত মানুষের খবর আমাদের কাছ থেকে নিয়েছেন।’

তিনি আমাদের বলেছেন, ‘তোমরা যেভাবে দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছে, ঠিক সেভাবেই তোমরা বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে থাকবে, তাদের কষ্ট লাঘব না হওয়া পর্যন্ত। তিনি মনে করেন, বন্যার্তদের সেবা করা মানে হচ্ছে মানুষের সেবা করা এবং এটাই রাজনীতির প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।’

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘তিনি এখন যে অসুস্থতায় আছেন, সেই অবস্থা তাঁর ইমিডিয়েট কোনো বিপদ না থাকলেও তিনি কিন্তু এখনো অসুস্থ আছেন। এখনকার ডাক্তাররা যাঁরা তাঁর চিকিৎসা করছেন, তাঁরা সবাই বারবার করে বলেছেন যে তাঁর উন্নত চিকিৎসা দরকার। সেই চিকিৎসা এখানে নেই। যে কারণে তাঁরা (চিকিৎসকেরা) মনে করেন, ম্যাডামের যদি সত্যিকার অর্থে সম্পূর্ণ রোগমুক্ত করার জন্য চিকিৎসা করা দরকার, তাহলে সেটা অবশ্যই দেশের বাইরে নেওয়া প্রয়োজন। আমরা সেই কথা আবারও আপনাদের কাছে তুলে ধরছি।’

শায়রুল কবির খান বলেন, ছোট ছেলে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর মেয়ে নাতনি জাফিয়া রহমানের সঙ্গে এবার ঈদের সময় কাটিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন। তাঁর কয়েকজন নিকটাত্মীয়ও আজ দেখা করেছেন তাঁর সঙ্গে।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন