গতকাল রোববার নারীপক্ষের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ৪ ডিসেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক সাক্ষাৎকারে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ছেলে তারেক রহমান ও নাতনি জাইমা রহমান সম্পর্কে যে নোংরা গালাগালি করেছেন, তা নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে শোনা যায়নি।

৪o নারী অধিকারকর্মীর বিবৃতি

এদিকে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর মন্তব্যের নিন্দা জানিয়েছেন ৪o জন নারী অধিকারকর্মী। বিবৃতিদাতারা হলেন, নারী নেত্রী ফরিদা আখতার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মির্জা তাসলিমা সুলতানা, নাসরিন খন্দকার ও স্নিগ্ধা রেজওয়ানা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক জোবাইদা নাসরিন, সাংবাদিক সায়দিয়া গুলরুখ, ঠোঁটকাটার সম্পাদক নাসরিন সিরাজ, উইমেন চ্যাপ্টারের সম্পাদক সুপ্রীতি ধর, শিক্ষক মিথিলা মাহফুজ, শিল্পী বীথি ঘোষ, উদ্যোক্তা তাসলিমা মিজি, ফেমিনিস্ট ফ্যাক্টরের সম্পাদক শারমীন শামস, সাংবাদিক ইশরাত জাহান, অধিকারকর্মী পূরবী তালুকদার, স্পেসের সম্পাদক মোশফেক আরা, নারী সংহতির নাসরিন আক্তার ও সুমি রেক্সোনা, অধিকারকর্মী দিলশানা পারুল, উন্নয়নকর্মী মনজুন নাহার, ফেরদৌস আরা রুমী ও মাহফুজা মালা, আইনজীবী প্রমা ইসরাত, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির লুনা নুর, নারী মুক্তি কেন্দ্রের নাইমা খালেদ ও সীমা দত্ত, শিক্ষক তানিয়াহ মাহমুদ, অধিকারকর্মী সুমাইয়া নাসরিন, অপরাজিতা সংগীতা, অর্ণি আনজুম ও শ্রবণা শফিক, কবি রিমঝিম আহমেদ ও শাফিনুর শাফিন, শিক্ষক জেসমিন দীনা রায়, সাংস্কৃতিক কর্মী রেবেকা নীলা, অধিকারকর্মী মিতা নাহার, লামিয়া ইসলাম, মারজিয়া প্রভা, প্রাপ্তি তাপসী, ইসাবা শুহরাত ও নাজিফা জান্নাত এবং সাংস্কৃতিক কর্মী মোরসালিনা আনিকা।