আহত ব্যক্তিরা হলেন পাঁচলাইশ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফরহাদ আজাদ, সদস্য দেলোয়ার হোসেন, আজাদ চৌধুরী, জাকির হোসেন, মো. বাবু, মো. হাসান, মো. শরীফ, মো. আকাশ, মাসুদ রানা, মো. ইমরান, ভুট্টো মাতবর, মো. শাহেদ, মো. ইমন, মো. সুজন। আহত সবাই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান প্রথম আলোকে বলেন, স্বেচ্ছাসেবক দলকে শক্তিশালী করতে ঘরোয়াভাবে কর্মিসভার আয়োজন করা হয়। সভায় অতর্কিত হামলা চালানো হয়। আত্মরক্ষার্থে উপস্থিত নেতা–কর্মীরা ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন।

এ হামলার জন্য ছাত্রলীগকে দায়ী করেন নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি রাশেদ। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নগর ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান আহমেদ সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে বলেন, ‘ছাত্রলীগের কেউ এই ঘটনায় জড়িত নয়। তবে সভায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সরকারকে নিয়ে কটূক্তি করায় কে বা কারা হামলা করেছে, তা আমার জানা নেই।’

পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজিম উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘সভায় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর জের ধরেই হামলার ঘটনাটি ঘটে। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত কাউকে পাইনি। কেউ যদি থানায় এসে অভিযোগ করে, আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন