বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওই বৈঠকে জাপার কো-চেয়ারম্যান এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, কাজী ফিরোজ রশীদ, মসিউর রহমান, মুজিবুল হক ও সৈয়দ আবু হোসেন, অতিরিক্ত মহাসচিব (খুলনা) সাহিদুর রহমান, প্রেসিডিয়াম সদস্য শফিকুল ইসলাম, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য জহিরুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে কাজী ফিরোজ রশীদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘শামীম হায়দার পাটোয়ারীকে মহাসচিব করা হচ্ছে, এমন কথা জানাজানি হওয়ার পর সিনিয়র নেতাদের অনেকে আমার অফিসে এসেছিলেন। তাঁরা খুব উত্তেজিত। শামীম দু-তিন বছর হলো পার্টিতে এসেছেন। তাঁকে মহাসচিব করা হলে কেউ মানবে না।’

দলীয় সূত্র জানায়, দলের সাবেক দুই মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার ও মসিউর রহমান, ঢাকার সাংসদ সৈয়দ আবু হোসেন, অতিরিক্ত মহাসচিব সাহিদুর রহমান ও শামীম হায়দার পাটোয়ারী মহাসচিব হতে আগ্রহী। কিন্তু কেউ সরাসরি নিজের আগ্রহের কথা না বলে নানাভাবে চেষ্টা-তৎপরতা চালাচ্ছেন।

অবশ্য জাপার চেয়ারম্যান জি এম কাদের প্রথম আলোকে বলেন, ‘মহাসচিব পদটি দলে একটি প্রশাসনিক পদ। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, মহাসচিবের পদ দলের চিফ প্যাট্রন ও কো-চেয়ারম্যান পদের নিচে। আমি বুঝতে পারছি না, কো-চেয়ারম্যানরা এই পদের জন্য এত লালায়িত কেন?’

জানা গেছে, জাপার শীর্ষ নেতৃত্ব বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে গাইবান্ধা-১ আসনের তরুণ সাংসদ শামীম হায়দার পাটোয়ারীকে মহাসচিব করতে আগ্রহী। তিনি ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান। সংসদে আইন প্রণয়নকাজে তাঁর অংশগ্রহণ ও আলোচনা দৃষ্টি কেড়েছে। এসব দিক বিবেচনায় নিয়ে তাঁকে মহাসচিব করার চিন্তা করা হয়।

জি এম কাদের প্রথম আলোকে বলেন, দলের গঠনতন্ত্রের ২০/১(১)ক ধারা মোতাবেক চেয়ারম্যান যে কাউকে মহাসচিব পদে নিযুক্ত করার ক্ষমতা রাখেন। এখন যেটা করলে দলের লাভ হবে, সেটাই তিনি করবেন।

এর প্রতিক্রিয়ায় কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, ‘এরশাদ (জাপার প্রতিষ্ঠাতা এইচ এম এরশাদ) সাহেব আর জি এম কাদের তো এক নন। এরশাদ সাহেব যেটা করতে পারতেন, সেটা কি তিনি পারবেন?’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন