বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সভায় তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি এখন মিটিং করছে। সেই মিটিংয়ে নেতারা বলছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আওতায় হওয়া কোনো নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেবে না। নির্বাচন তো কোনো সরকারের অধীনে হয় না। নির্বাচন হয় নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে। আর তত্ত্বাবধায়ক সরকার! সেই স্বপ্ন আর দেখে লাভ নেই।

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, রাত ১২টার পর যাঁরা টেলিভিশনের পর্দা গরম করেন, আর গরম গরম কথা বলেন, তাঁদের দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, সেটি আর হবে না। নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী। আওয়ামী সরকারই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দায়িত্ব পালন করবে। আর নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবে।

চরফ্যাশন সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ কায়সার আহমেদ দুলালের সভাপতিত্বে সভায় বক্তৃতা করেন সাংসদ আবদুল্লাহ আল ইসলাম, ভোলা জেলা প্রশাসক মো. তৌফিক ই-লাহী চৌধুরী, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, চরফ্যাশন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন আখন্দ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম, চরফ্যাশন পৌরসভার মেয়র মো. মোরশেদ প্রমুখ।

এর আগে বেলা দুইটায় সাংসদ আবদুল্লাহ আল ইসলামের বাসভবনে মতবিনিময় সভা করেছেন তথ্যমন্ত্রী। সেখানে ভোলার স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী ও সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন