বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লিখিত বক্তব্যে সমিতির সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস বলেন, ‘জাইমা রহমান সম্পর্কে তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান যে অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ ও নারীবিদ্বেষী মন্তব্য করেছেন, তা আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।…প্রতিমন্ত্রী আমাদের তরুণ ব্যারিস্টার (জাইমা) সম্পর্কে যে লাগামহীন মন্তব্য করেছেন, তা শুধু নিন্দনীয়ই নয়, সর্বদা পরিত্যাজ্য। এই মন্তব্য দেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্য, বিশেষ করে নারীর প্রতি বিদ্বেষমূলক ও চরম অবমাননাকর।’

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের তৃতীয় তফসিলে বর্ণিত ‘ভীতি বা অনুগ্রহ, অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী না হয়ে সবার প্রতি আইন অনুযায়ী যথাবিহিত আচরণ করিব’ মর্মে মন্ত্রী হিসেবে তিনি যে সাংবিধানিক শপথ গ্রহণ করেছেন, তিনি ক্রমাগতভাবে নানাবিধ মন্তব্য/কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তা ভঙ্গ করে চলেছেন। জাতি হিসেবে এটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। প্রতিমন্ত্রীর মতো একটি দায়িত্বশীল পদে থেকে তাঁর এসব অযাচিত মন্তব্য জাতি হিসেবে আমাদের কলঙ্কিত করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সহসভাপতি মো. জালাল উদ্দিন, সহসম্পাদক মাহমুদ হাসান ও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদ, পারভীন কাওসার ও রেদওয়ান আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত মার্চে অনুষ্ঠিত সমিতির নির্বাচনে কার্যনির্বাহী কমিটির ১৪টি পদের মধ্যে সভাপতিসহ সংখ্যাগরিষ্ঠ পদে জয় পান আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরা। সম্পাদকসহ বাকি ছয়টি পদে জয়ী হন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন