বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ওই বক্তব্যে ডা. মুরাদ হাসান বলছেন, “যা কিছু করছি, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে করছি এবং তা তিনি সবকিছু জানেন।” এই বক্তব্যটুকু অত্যন্ত মারাত্মক।’

তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান একসময় ছাত্রদল করতেন বলেও দাবি করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ‘দুর্ভাগ্যের কথা, সে নাকি ছাত্রদল করত। সে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক ছিল। পরবর্তীকালে সে ছাত্রলীগে যোগদান করেছে। ধিক্কার দিই আমি তাকে।’

মির্জা ফখরুলের এই বক্তব্যের কিছুক্ষণ পর দর্শকসারিতে থাকা যুবদলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক গোলাম মাওলা দাঁড়িয়ে মির্জা ফখরুলকে তাঁর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানান। ডা. মুরাদ কখনো ছাত্রদল করেননি বলে চিৎকার করেন তিনি। এ সময় হলরুমে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।

পরে মির্জা ফখরুল তাঁর বক্তব্যের সমর্থনে বলেন, ‘একসময় সে ছাত্রদল করেছে। পরবর্তীকালে সে ছাত্রলীগের নেতা হয়ে প্রেসিডেন্ট (ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি) হয়েছে। এটা দুর্ভাগ্য আমাদের। এ রকম একটা ছেলে ছাত্রদলে ছিল।’

আলোচনা সভার অন্য বক্তারাও খালেদা জিয়া ও তাঁর পরিবারকে নিয়ে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর ‘আপত্তিকর’ মন্তব্যের প্রতিবাদ জানান এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, একজন মন্ত্রী ‘অশ্রাব্য–অভদ্র’ ভাষায় কটূক্তি করে যাচ্ছেন। সচিবালয়কে ‘অপবিত্র’ করেছেন। এর প্রতিবাদ করতে হবে।
নব্বইয়ের স্বৈরাচার পতন আন্দোলনের নেতা ও ডাকসুর সাবেক ভিপি আমানউল্লাহ আমান সভায় সভাপতিত্ব করেন। তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচার এরশাদকে আজকের দিনে হার মানিয়েছে। আগের মতো বর্তমান সরকারকেও কঠিন ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিতে হবে।’

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুর রহমানের পরিচালনায় সভায় অন্যদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বিএনপির ঢাকা দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান, জহির উদ্দিন স্বপন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য দেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন