বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জাসদ সভাপতি বলেন, বৈষম্য হচ্ছে শ্রমিক, গরিব ও নারীর চোখের কান্না–বৈষম্য হলেই তারা নীরবে কাঁদে। সাম্প্রদায়িকতা হচ্ছে বিষাক্ত সাপ, বিষাক্ত সাপকে বিশ্বাস করতে নেই, যে কোনো সময় ছোবল মারতে পারে। তিনি আরও বলেন, একাত্তরের যুদ্ধ, জাতির পিতা, ত্রিশ লাখ শহীদ, স্বাধীনতার ঘোষণা, সংবিধানের চার মূলনীতির মতো মীমাংসিত বিষয় যারা মানে না তারা দেশদ্রোহী, জাতীয় বেঈমান।

হাসানুল হক ইনু বলেন, বাঙালিত্বকে কেন্দ্র করেই ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং একটি জাতি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হয়। বাঙালিত্বকে ধারণ করে এবং উপজাতিসত্ত্বাগুলোর মর্যাদাকে স্বীকার করে বাঙালিয়ানাকে কেন্দ্র করে হাজার বছরের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। যাঁরা বাংলাদেশবিরোধী, পাকিস্তানপন্থী, সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদে বিশ্বাস করে তারা সব সময় বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতির ওপর আক্রমণ করে। তাঁরা বাঙালিয়ানার চর্চায় বাধা দেয়, বিজাতীয় সংস্কৃতি চাপিয়ে দেয় এবং মুক্তিযুদ্ধকেও অস্বীকার করে। তাই বাঙালিত্ব ও বাঙালিয়ানার ওপর আক্রমণকারীদের মোকাবিলা, দমন ও বর্জন করতে হবে।

উন্নয়ন-সুশাসন-সমাজতন্ত্রের পাশাপাশি বাঙালি সংস্কৃতির পুনর্জাগরণের আন্দোলন এগিয়ে নিতে জাতীয় যুব জোটের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান হাসানুল হক ইনু। জাতীয় যুব জোটের সভাপতি রোকনুজ্জামান রোকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন জাসদের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শফি উদ্দিন মোল্লা, দফতর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন, জাতীয় যুব জোটের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল কবির স্বপন। এ ছাড়াও এ কর্মশালায় জাতীয় যুব জোটের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন