বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ফখরুল বলেন, ‘আমরা প্রতিবছর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিনে দলের প্রতিষ্ঠাতা ও স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করতে আসি। কিন্তু এবার অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে আমরা এসেছি। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া গৃহবন্দী অবস্থায় আছেন। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিথ্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে বিদেশে নির্বাসিত অবস্থায় আছেন। আমাদের প্রায় ৩৫ লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। ছয় শতাধিক নেতা–কর্মীকে গুম করা হয়েছে।

সহস্রাধিক নেতা–কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। গণতান্ত্রিক অধিকারকে হরণ করা হয়েছে। মানুষের মৌলিক অধিকার থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছে।’

দণ্ডিত হওয়ার পরও সাংসদ হাজি সেলিম বিদেশে যেতে পেরেছেন, কিন্তু খালেদা জিয়া যেতে পারেননি—এমন প্রশ্ন করা হলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এ ঘটনা থেকে প্রমাণিত হয় যে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে। শুধু আমরা নই, এটা এখন বিদেশেও বলা হচ্ছে।

এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে যাঁরা গণতন্ত্রের জন্য কাজ করছিলেন, স্বাধীনতাসংগ্রামের জন্য লড়াই করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে দমনপীড়নের ব্যবস্থা নিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার রিপোর্ট, যেটা কিছুদিন আগে বেরিয়েছে, সেখানে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মামলাকে সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক মামলা এবং সাজা দেওয়াটাও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জন্য দেওয়া হয়েছিল, তা উল্লেখ করা হয়েছে।’

জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারতের সময় মির্জা ফখরুলের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন