বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত ১৪ জুলাই রওশন এরশাদকে চেয়ারম্যান, বিদিশা সিদ্দিক ও রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদকে কো–চেয়ারম্যান এবং কাজী মামুনুর রশীদকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ঘোষণা করেন এরিক এরশাদ। জি এম কাদেরের নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে তাঁরা নতুন জাতীয় পার্টির ঘোষণা দেন। যদিও রওশন ও সাদ এরশাদ এই তৎপরতার সঙ্গে নেই।

সংবাদ সম্মেলনে বিদিশা সিদ্দিক জাতীয় পার্টির পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নেতা-কর্মীদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। সম্প্রতি সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চট্টগ্রাম সফরে গিয়ে দলের নেতা-কর্মীদের ব্যাপক সাড়া পাওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের ৬৪ জেলার জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীরা তাঁকে দলকে শক্তিশালী অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে আহ্বান জানাচ্ছেন। তিনি নেতা-কর্মীদের আহ্বানের প্রতি সম্মান জানিয়ে শিগগিরই বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা ও সাংগঠনিক কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।

বিদিশা সিদ্দিক বলেন, ‘আপনারা জানেন, এরিক এরশাদ, কাজী মামুন ও আমি ম্যাডাম রওশন এরশাদকে সিএমএইচে দেখতে গিয়েছিলাম। আপাকে (রওশন এরশাদ) আমি কথা দিয়ে এসেছি, পল্লিবন্ধু ও উনি যেভাবে জাতীয় পার্টিকে ভালোবাসতেন, আমিও ঠিক সেভাবেই জাতীয় পার্টি পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সারা দেশে কাজ করব।’

রওশন এরশাদ কী বলেছেন, জানতে চাইলে বিদিশা সিদ্দিক প্রথম আলোকে বলেন, ‘তিনি কথা বলতে পারেননি। শুধু চোখ খুলে দেখেন। তখন আমি বলেছি, আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছি। অতীতে আমার কোনো কাজে যদি কষ্ট পেয়ে থাকেন, আমাকে ক্ষমা করে দেবেন। এরিকের মতো সাদকেও আমি সন্তানের মতো করে দেখব। তখন ওনার চোখ বেয়ে শুধু পানি পড়ছিল।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কাজী মামুনুর রশিদ, কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক কাজী রুবায়েত হাসান, যুগ্ম মহাসচিব সিকদার আনিসুর রহমান, শোয়েব আহমেদ, শাহজাহান সিরাজ প্রমুখ। এ সময় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদের রোগমুক্তি কামনা এবং জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন