default-image

হরতাল পায়ে ঠেলে রাজধানী ঢাকা কর্মচঞ্চল হয়ে উঠেছে। ঢাকার বাইরের ছয় বিভাগীয় শহরের জনজীবনও প্রায় স্বাভাবিক। সরকারের নিষেধাজ্ঞার কারণে মহাসড়কগুলোতে রাতে যানবাহন চলছে না। তবে দিনে মহাসড়কে চলছে প্রায় সব যানবাহনই। সরকারি-বেসরকারি অফিস চলছে আপন গতিতে। অনেক স্থানে আদালত ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমও থেমে নেই। দোকানপাটও খোলা। তবে ঘনবসতির এই দেশে মানুষের যে স্রোত, সেটা এখনো পুরোপুরি দৃশ্যমান নয়।
গতকাল বুধবার প্রথম আলোর চারজন প্রতিনিধি রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে হরতালের চিত্র সরেজমিন দেখেছেন। এ ছাড়া ঢাকার বাইরে ছয় বিভাগীয় শহরে ঘুরেছেন প্রতিনিধিরা। সারা দিন হরতাল আহ্বানকারী ২০-দলীয় জোটের কোনো তৎপরতা চোখে পড়েনি। দু-এক জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দেওয়ার যে ঘটনা ঘটছে, সেটাও রাতের আঁধারে।
গতকাল বেলা ১১টার দিকে কল্যাণপুরে বাসের অপেক্ষায় ছিলেন একটি বীজ কোম্পানির কর্মকর্তা রাকিবুল হাসান। যাবেন রাজশাহী। চলমান হরতাল সম্পর্কে তাঁর মূল্যায়ন এ রকম—বিরোধী জোটের প্রতি মানুষের সমর্থন অস্বীকার করা যাবে না। তবে ‘ঘোষণা নির্ভর’ কর্মসূচি একঘেয়ে হয়ে গেছে। মানুষকে দীর্ঘদিন আতঙ্কে রাখা ঠিক নয়। আবার সরকারেরও বোঝা উচিত, মানুষকে এই অপেক্ষায় ফেলে সমস্যা জিইয়ে রাখা দীর্ঘ মেয়াদে কুফল বয়ে আনবে।
কর্মমুখর ঢাকা: সকাল ১০টা। সায়েন্স ল্যাবরেটরির কাছে সিটি কলেজ সিগন্যাল। বাস আটটি, অটোরিকশা আর কার মিলে অন্তত ১০০ যানবাহনের সারি। সিগন্যাল ছাড়তে লেগে যায় আট মিনিট। দুপুর একটা। বসুন্ধরা সিটির সামনের সিগন্যাল। সেখানে অন্তত ১০ মিনিটের অপেক্ষা। বিকেল সাড়ে চারটা। ফার্মগেট থেকে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত পুরোটাই বাস-মিনিবাস, অটোরিকশা আর কারের সারি। আধা কিলোমিটারেরও কম পথ পাড়ি দিতে লেগে যায় ২০ মিনিট।
এটা হচ্ছে ঢাকার হরতালচিত্র। ট্রাফিক পুলিশ ও পরিবহনশ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই তিনটি সিগন্যালে যানজট স্বাভাবিক ঘটনা। কখনো কখনো আধঘণ্টার ফাঁদেও পড়তে হয়।
তবে হরতালের প্রথম দিকে এসব সিগন্যালে কোনো গাড়িকে অপেক্ষা করতে হতো না। ট্রাফিক পুলিশকেও ঘাম ছোটাতে হতো না যানবাহন নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু এখন চিত্র পাল্টেছে। ট্রাফিক পুলিশকে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে প্রাণান্ত চেষ্টা করতে দেখা গেল কাল। দায়িত্ব পালনরত পুলিশের এক সদস্য বলেন, প্রথম প্রথম হরতালে কোনো সিগন্যাল-টিগন্যাল ছিল না। এখন একদিকে ছাড়লে অন্যদিকে যানজট লেগে যাচ্ছে।
ধামরাই-গুলিস্তান পথের বাসযাত্রী আতাউর রহমান বলেন, যানজট আছে। তবে আগের তুলনায় কম সময় আটকে থাকতে হচ্ছে।
যাত্রী, পথচারী ও পুলিশের সদস্যরা জানান, ঢাকায় বেড়ানো, কেনাকাটা এবং অত্যাবশ্যকীয় নয় এমন ভ্রমণ কমে গেছে। অনেকগুলো স্কুল-কলেজও বন্ধ। রাস্তায় গাড়ির সংখ্যা তাই কিছুটা কম। ফলে যানজট অসহনীয় নয়।
সকাল সাড়ে নয়টার দিকে মহাখালী রেলক্রসিংয়ের কাছের চৌরাস্তার চারটি পথেই যানবাহনের সারি দেখা যায়। যাত্রীরা ঠেলাঠেলি করে বাসে উঠছেন, নামছেন। গুলশান ১ নম্বর গোলচত্বরে গিয়ে মনে হলো, মহাখালীর চেয়েও এই স্থানটি বেশি ব্যস্ত।
সেখানে একটি ভোগ্যপণ্য উৎপাদনকারী কোম্পানির কর্মচারী মোজাম্মেল হকের কাছে হরতালে যাতায়াতের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘হরতাল কোথায় দেখলেন? জ্যামে পইড়া সময়মতো অফিসে যাইতে পারতাছি না।’
মিরপুরের কাজীপাড়া থেকে মহাখালী হয়ে গুলশান, গুলিস্তান হয়ে মতিঝিল কিংবা পুরান ঢাকার সর্বত্রই রাস্তার দুই ধারের অফিস ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকতে দেখা গেছে।
অগ্রণী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার মোস্তাক আহমেদের সঙ্গে কথা হয় মতিঝিলের আমিন কোর্টে। তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি দয়াগঞ্জের বাসা থেকে অফিসের গাড়িতে যাতায়াতের সময় আশপাশে বাসে আগুন দিতে দেখেছি। কী করব, এ নিয়েই পথ চলছি।’
আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা কেয়ারের স্বাস্থ্য কর্মসূচির জ্ঞান ব্যবস্থাপনা বিভাগের সমন্বয়ক কাজল আহমেদ জানালেন, কারওয়ান বাজারের প্রধান কার্যালয়ে সব কাজ ঠিকমতো হচ্ছে। তবে মাঠপর্যায়ের কাজ তদারকির জন্য জেলা-উপজেলা পর্যায়ে যাওয়ার কাজটা কঠিন হয়ে গেছে। সরেজমিনে সম্ভব না হলে অনলাইনে কাজ তদারকি বেশি হচ্ছে।
ঢাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: লক্ষ্মীবাজারে ছয়টি বড় স্কুল ও কলেজ। সাধারণত দিনের অধিকাংশ সময়ই শিক্ষার্থী আর অভিভাবকের উপস্থিতিতে মুখরিত থাকে এলাকাটি। তবে কাল সেখানে চিরচেনা চিত্রটি পাওয়া গেল না। সেন্ট গ্রেগরি, সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ার্স ও গভ. মুসলিম হাইস্কুল বন্ধ। তাই সড়কে যানবাহন থাকলেও জট নেই। সেন্ট গ্রেগরির মূল ফটকে বসা কর্মচারী মো. আলম জানালেন, অষ্টম ও দশম শ্রেণির কিছু ক্লাস চলছিল। রোববার কবি নজরুল কলেজের এক ছাত্রী ককটেলে আহত হওয়ার পর বন্ধ হয়ে গেছে। এখন শুক্র ও শনিবার ক্লাস-পরীক্ষা হয়।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে পরিস্থিতি মোটামুটি স্বাভাবিকই মনে হলো। রেজিস্ট্রার মো. ওহিদুজ্জামান বললেন, চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে ক্লাস–পরীক্ষা ঠিকঠাকই চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসগুলোও চলছে।
মহাখালীতে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানালেন, গত মঙ্গলবার ক্লাস হলেও বুধবার শুধু প্রশাসনিক কার্যক্রম চলেছে। কারণ হিসেবে জানা গেল, মঙ্গলবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্য বিভাগের ক্লাস চলাকালে কাছেই ককটেল বিস্ফোরণ হয় ও গাড়িতে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।
ঢাকার ক্ষুদ্র ব্যবসা: ধোলাইখালের রাস্তার বিভাজনের ওপর সাত-আট বছর ধরে পুরান গাড়ির হর্ন বিক্রি করেন মো. সোহেল। প্রতিদিনের মতো কালও বসেছিলেন। জানালেন, স্বাভাবিক সময়ে দিনে ৩০-৪০ জোড়া হর্ন বিক্রি হতো। প্রতি জোড়ার দাম ১০০ থেকে ১২০ টাকা। হরতালে বিক্রি কম, দিনে ছয়-সাত জোড়া চলে। সড়কে প্রচুর রিকশা ও গাড়ি চলছিল। কর্মচাঞ্চল্য ভাবও আছে। তবে সোহেলের ক্রেতা কম।
নারিন্দা মোড় থেকে বেলা সাড়ে ১১টার হাঁটতে হাঁটতে চোখে পড়ল, সড়কের দুই পাশের পুরান গাড়ির যন্ত্রাংশের সারি সারি দোকান খুলে বসে আছেন ব্যবসায়ীরা। কেউ কেউ চট্টগ্রাম থেকে আসা কার্ভার্ড ভ্যানের পণ্য নামিয়ে দোকানে তুলছেন। এসব নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে বেশ হাঁকডাক। সড়ক দখল করে ট্রাকের সারিও দেখা গেল। তবে চিশতিয়া স্যাফটিং সেন্টারের স্বত্বাধিকারী ফাইজ উদ্দিনের কাছে বিক্রিবাট্টার বিষয়ে জানতে চাইলে সোহেলের কথাই যেন প্রতিধ্বনি হলো। বললেন, ‘দেখছেন না, সব ঠান্ডা। ১০টায় দোকান খুলেছি। এখন পর্যন্ত ক্রেতার দেখা পাইনি।’
কবি নজরুল কলেজের মূল ফটকের বাইরে চায়ের দোকানি মো. রফিক জানালেন, দিনে মূল গ্রাহক কলেজের ছাত্র-ছাত্রী। আর রাতে রিকশা-ভ্যানের চালক। আগে সারা দিন হাজার তিনেক টাকা বিক্রি হতো। এখন তা অর্ধেকে নেমে এসেছে।
বাংলাবাজার ও পাটুয়াটুলী ঘুরে দোকানপাট খোলা দেখা গেল। তবে অধিকাংশই ক্রেতাশূন্য। কিন্তু দোকানের সামনের সড়কে রিকশা-ভ্যান চলছে হরদম।
বাংলাবাজারের জাহানারা বুক হাউসের মালিক ওমর ফারুক বললেন, শুক্রবার স্কুল খোলা থাকে। এদিন বাদ দিলে বিক্রি অর্ধেকে নেমেছে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে ফেরার পথে চোখে পড়ল নর্থ সাউথ রোডের সারি সারি রড, অ্যাঙ্গেল ও ইস্পাতের শিটের দোকানগুলোতে। মনে হলো, দোকানিরা অলস বসে আছেন। বংশালের দিকের দরজা, প্লাস্টিক ও হার্ডওয়্যারের দোকানের কয়েকটিতে শার্টারের অর্ধেক নামানো। পণ্য পরিবহনের ভ্যানের ওপর বেশ কিছু শ্রমিক বসে গল্পগুজব করছেন। অবশ্য গুলিস্তানে পৌঁছার আগেই আলুবাজার এলাকায় যানজটে পড়তে হলো। বাহাদুর শাহ পার্ক থেকে সেখানে আসতে লাগল ৩৫ মিনিট।
ছয় মহানগর প্রায় স্বাভাবিক: চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা ও বরিশাল মহানগরেও জনজীবন প্রায় স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। এর মধ্যে গতকাল সিলেট, রংপুর ও চট্টগ্রামে যানজট দেখা গেছে। ছয় মহানগর থেকে দিনে দূরপাল্লা ও আন্তজেলা পথের বাসও চলাচল করেছে প্রচুর। তবে যাত্রী কম।
রাজশাহীর নিজস্ব প্রতিবেদক জানান, নৌপরিবহনমন্ত্রীর সমাবেশের কারণে সেখানকার মালিক-শ্রমিকেরা কাল যান চলাচল বন্ধ রাখেন। তবে অন্য জেলার যানবাহন রাজশাহীতে এসেছে, গেছে।
সিলেটে কিছু কিছু দোকানপাট বন্ধ থাকলেও অন্য সব মহানগরে স্বাভাবিক ছিল। খুলনার দোকানিরা বলেছেন, ক্রেতা কম। চট্টগ্রামের নিজস্ব প্রতিবেদক জানান, প্রাথমিকের সব বিদ্যালয় খোলা। উপস্থিতিও প্রায় স্বাভাবিক। তবে এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র রয়েছে এমন মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো বন্ধ। বাকি মহানগরগুলোতেও একই চিত্র।
সরকারি-বেসরকারি অফিসগুলোতে ছিল স্বাভাবিক কাজকর্ম। তবে সরকারি অফিসে স্বাভাবিক সময়ে যে মানুষের আনাগোনা থাকে, তা কিছুটা কম ছিল। এত দিন বন্ধ থাকলেও রাজশাহীতে আদালতের কার্যক্রম গতকাল শুরু হয়েছে।
মহাসড়ক দিনে সচল, রাতে স্থবির: সরেজমিন ঘুরে ও পরিবহনমালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাজধানীর গাবতলী টার্মিনাল ও এর আশপাশ থেকে স্বাভাবিক সময়ে গড়ে তিন হাজার যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচল করত। কাল ভোর ছয়টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলেছে প্রায় এক হাজার। মালিকেরা জানান, সরকার রাত নয়টার মধ্যে বাস গন্তব্যে পৌঁছানোর সময় বেঁধে দিয়েছে। এ জন্য বিকেল চারটার পর বেশির ভাগ কোম্পানিই বাস বন্ধ করে দিচ্ছেন। স্বাভাবিক সময়ে বিকেল থেকে ভোর পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি বাস চলে, যাত্রীদের যাতায়াতও বেশি থাকে।
মহাখালী টার্মিনাল থেকে স্বাভাবিক সময়ে গড়ে ৮০০ বাস চলাচল করে। দিনের পালার বাসগুলোর ৭৫ শতাংশ চলাচল করছে। পরিবহনমালিকেরা দাবি করছেন, বাকি ২৫ শতাংশ বাস চলছে না যাত্রীস্বল্পতার কারণে। তবে ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, শেরপুর, নেত্রকোনা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পথে দিনে শতভাগ বাসই চলাচল করছে বলে তাঁরা জানান। উত্তরবঙ্গের পথে যাত্রী ও যান একটু কম এখনো।
সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ পথে সারা দিনই বাস চলছে। এসব পথের বাসে যাত্রীও বেশি দেখা গেছে। এসব পথে রাতেও বেশ কিছু বাস চলছে।
একজন পরিবহনমালিক জানান, রাতে বাস বন্ধ রাখার সরকারি সিদ্ধান্ত তাঁরা খুব দায়িত্ব নিয়ে মেনে চলছেন। কারণ, রাতে চালিয়ে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে সব দায় পড়বে মালিকের ঘাড়ে।
সকালে গাবতলীতে কথা হলো গাইবান্ধা থেকে ঢাকা আসা তরুণ ফয়সাল মাহমুদের সঙ্গে। ঢাকায় পড়াশোনা শেষ করে এখন গাইবান্ধায় তাঁর বসবাস। ফয়সাল জানালেন, শুক্রবার অনুষ্ঠেয় বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিতে ঢাকা এসেছেন। কিন্তু গাইবান্ধা থেকে ঢাকামুখী বাস কম চলছে। বুধবার সকালে বগুড়া থেকে রওনা দিয়ে সাড়ে চার ঘণ্টায় ঢাকা পৌঁছেছেন।
কল্যাণপুরে কথা হলো যশোরে কর্মরত সরকারি কর্মচারী নাজিম উদ্দিনের সঙ্গে। অসুস্থ মাকে দেখতে গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামে গিয়েছিলেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকায় ফিরে রাতে থাকতে হয়েছে ঢাকাতেই। ‘জান হাতে নিয়া মাকে দেখতে গেছি’—বললেন তিনি।
সকাল সাড়ে ১০টায় মহাখালী বাস টার্মিনালে গিয়ে জানা গেল, মঙ্গলবার রাত নয়টার দিকে ওই টার্মিনালের একটি গাড়িতে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এ কারণে সকালের দিকে পরিবহনমালিক ও কর্মীদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক দেখা গেল। পরিবহনকর্মী রাশেদুল আলম বলেন, ‘যাদের খুবই প্রয়োজন তারাই শুধু বাইরে বের হচ্ছে। আর বাসে উঠে জানালা বন্ধ রাখছে আতঙ্কে।’

বিজ্ঞাপন
রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন