বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জি এম কাদের বলেন, একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশনের অনেক ক্ষমতা আছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা দৃশ্যমান নয়। তিনি বলেন, নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে সরকারি দলের সঙ্গে অনেক সময় প্রশাসনের একটি অংশও জড়িয়ে পড়ছে। এ অবস্থায় স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে না। বিরোধী মতাদর্শের প্রার্থীরা নির্বাচনের মাঠে দাঁড়াতেই পারছে না। মামলা-হামলা, ভয়ভীতি ও লোভ- লালসায় বিপর্যস্ত হচ্ছেন প্রার্থীরা।

নির্বাচনের মাধ্যমে দলকে সংগঠিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে জি এম কাদের বলেন, প্রতিটি নির্বাচনেই জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের শেষ পর্যন্ত লড়াই করতে বলা হচ্ছে। যাঁরা ভয়ভীতি আর লোভ-লালসা উপেক্ষা করে লড়াই করতে পারবেন না, তাঁদের জাতীয় পার্টিতে প্রয়োজন নেই। কারণ, নতুন প্রজন্মের জন্য জাতীয় পার্টির দুয়ার খোলা আছে।
এ প্রসঙ্গে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, আওয়ামী লীগে কোনো জায়গা নেই। আওয়ামী লীগে কেউ ইচ্ছে হলেই যোগ দিতে পারছেন না। আবার বিএনপিতে যোগ দিলেই মামলা আর হামলার ভয় আছে। তাই নতুন প্রজন্মের রাজনীতির জন্য জাতীয় পার্টি হচ্ছে উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম। সাধারণ মানুষের কাছেও জাতীয় পার্টি সবচেয়ে নিরাপদ।

জাপার মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুর রোগমুক্তি কামনায় এ মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠান হয়। দলের ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটি এর আয়োজন করে।

জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এস এম ফয়সল চিশতীর সভাপতিত্বে কর্মিসভায় আরও বক্তব্য দেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম পাঠান, যুগ্ম মহাসচিব শামসুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন সরকার, আনিস উর রহমান, মমতাজ উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক এম এ রাজ্জাক খান প্রমুখ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন