বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সিরাজুল আলম খানের ভাতিজি ফারাহ খানের আয়োজনে ওই অনুষ্ঠানে সিরাজুল আলম খানের ৮১তম জন্মদিনের কেক কাটা হয়। তিনি সিরাজুল খানের নামে একটি ফাউন্ডেশন গড়ে তোলার ঘোষণা দেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, রাজনীতি বিমুখতার বিপরীতে সিরাজুল আলম খান দেশের তরুণদের রাজনীতির দিকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেছেন।

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘আমরা যখন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হই, তখন সিরাজুল আলম খানের সাহচর্য পাই। আমরা চোখে যা দেখতাম, তা তিনি আরও গভীর থেকে বোঝার চেষ্টা করতেন।’

default-image

বাসদের (খালেকুজ্জামান) কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান বলেন, মুক্তিযুদ্ধে আপসহীন ধারার সংগঠক হিসেবে সিরাজুল খান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসের অনেক কিছু নিয়ে আমাদের মনে প্রশ্ন রয়ে গেছে। একাত্তরের মার্চে মুজিব-ইয়াহিয়া ও ভুট্টোর মধ্যে কী আলোচনা হয়েছিল, তা আমরা এখনো জানি না।’
সিরাজুল আলম খানের চাচাতো ভাই ও লেখক ফরহাদ মজহার বলেন, সিরাজুল আলম খান স্বাধীনতাযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন।

বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান বলেন, ‘সিরাজুল আলম খান আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে ক্ষমতার সঙ্গে থেকেও প্রশ্ন করতে হয়।’

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘দেশের শাসকেরা নিজেদের ইচ্ছেমতো ইতিহাস লিখে। এ জন্য মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সিরাজুল আলম খানের নাম শাসকেরা সব সময় আড়ালে রাখার চেষ্টা করেছে। যেদিন দেশের জনগণ এই ইতিহাস লিখবে, তখন সিরাজুল আলম খানের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।’
গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব নুরুল হক বলেন, ‘দেশে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে আমাদের সিরাজুল আলম খানের মতো নেতাদের স্মরণ রাখতে হবে।’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন