সিলেট মহানগর, সুনামগঞ্জ পৌরসভা, ছাতকসহ বিভিন্ন এলাকায় বিএনপির নেতা-কর্মীরা ত্রাণ তৎপরতা শুরু করেছেন বলে উল্লেখ করেন ইকবাল হাসান মাহমুদ। বলেন, ‘সিলেট থেকে এখন পর্যন্ত যে রিপোর্ট পেয়েছি, আমরা ১০ হাজার লোকের কাছে খাবার পৌঁছে দিয়েছি। বড় বড় নৌকা ভাড়া করে পানিবন্দী মানুষকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করেছি।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘ছাতকে বন্যাকবলিত এলাকায় আমাদের নেতা-কর্মীরা নিজেরা টাকা তুলে মানুষের মাঝে বিতরণ করেছেন। বিএনপি গণমানুষের দল হিসেবে মানুষের পাশে আছে।’

বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় দলের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘এবারের বন্যা পরিস্থিতিকে আমরা তিন ভাগ করেছি। এখন যাঁরা পানিবন্দী মানুষ আছেন, তাঁদের উদ্ধার করে খাবার পৌঁছে দেওয়া। বন্যার পানি চলে গেলে মানুষজনের গৃহনির্মাণ এবং তাঁদের খাবার ও ওষুধপথ্য বিতরণ।’

সব অঙ্গসংগঠনকে আলাদাভাবে স্টিয়ারিং কমিটি করে প্রতিটি সংগঠনের ত্রাণ কার্যক্রম তদারকি করার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানান ইকবাল হাসান মাহমুদ।

বৈঠকে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, মহিলা দলের আফরোজা আব্বাস, সুলতানা আহমেদ; ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের অধ্যাপক হারুন আল রশিদ, অধ্যাপক আবদুস সালাম; যুবদলের সুলতান সালাহউদ্দিন, মোনায়েম মুন্না; স্বেচ্ছাসেবক দলের মোস্তাফিজুর রহমান, আবদুল কাদির ভুঁইয়া; কৃষক দলের হাসান জাফির, শহিদুল ইসলাম; ছাত্রদলের কাজী রওনাকুল ইসলাম, সাইফ মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন