default-image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রাজনৈতিক ব্যর্থতাজনিত হতাশা বিএনপিকে গ্রাস করেছে। তাই তারা দেশ ও সরকারের অর্থনৈতিক কোনো ইতিবাচক অর্জন দেখতে পায় না।

আজ রোববার বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সঙ্গে সেবার মান বৃদ্ধিবিষয়ক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। তিনি তাঁর সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ আলোচনা সভায় যুক্ত হন। আলোচনা সভায় বিআরটিএ সদর দপ্তর, ঢাকা মহানগরী, পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিলেট জেলার কর্মকর্তারা সংযুক্ত ছিলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। নতুন গতি এসেছে প্রবাসী আয়ে। আর এসব ইতিবাচক দিক বিএনপি দেখতে পায় না। রাজনৈতিক ব্যর্থতাজনিত হতাশা সবকিছুকে গ্রাস করেছে বিএনপির। তাই দেশ ও সরকারের অর্থনৈতিক কোনো ইতিবাচক অর্জন তারা দেখতে পায় না।

বিজ্ঞাপন

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে এখন পর্যন্ত ১৮টি ফ্লাইওভার, ৪১৩ কিলোমিটার চার লেনের মহাসড়ক নির্মাণ হয়েছে। তা–ও বিশ্বাস না হলে বিএনপি নেতাদের বলব, আপনারা সরেজমিনে দেখে আসুন।’

দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে সরকার নাকি মিথ্যাচার করছে—বিএনপির নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, দেশের কোনো সুখবর, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি তাদের গায়ে জ্বালা ধরায়। এ জন্যই সবকিছু নিয়ে অবিশ্বাস আর মিথ্যাচার বিএনপির মজ্জাগত।

বিএনপির ‘গণ-অভ্যুত্থান’ করার ঘোষণা প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যাদের রাজপথে একটি বড় মিছিলের সক্ষমতা নেই, তারা অভ্যুত্থানের দিবাস্বপ্ন দেখছে।

এক দশক ধরে দেশে জিডিপির উচ্চ প্রবৃদ্ধি হয়েছে জানিয়ে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, সেই ধারাবাহিকতায় করোনার প্রভাব সত্ত্বেও প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের ওপরে অর্জিত হয়েছে।

এডিবি ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৮ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রবৃদ্ধি অর্জনের দিক দিয়ে এশিয়ার চতুর্থ শীর্ষ দেশ হবে বাংলাদেশ।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আত্মীয় ও দলীয় পরিচয় দিয়ে বিআরটিএতে যারা প্রভাব খাটাতে চায়, তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিআরটিএর নিয়মকানুন অনুযায়ী সবাইকে চলতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলেই ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

দালালের দৌরাত্ম্য থেকে সবাইকে সাবধানে থাকার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, গ্রাহকসেবার নামে যাতে কেউ হয়রানির স্বীকার না হন, সেদিকেও নজর দিতে হবে। যেসব ব্যক্তি ঘুষ দিয়ে বদলি ও পদোন্নতি করাতে চান, সেসব ব্যক্তিকে দিয়ে বিআরটিএর কোনো লাভ হবে না। এই মতলববাজদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0