সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি বলছে, তারা জাতীয় ঐক্য চায়। আমার মনে প্রশ্ন জাগে, কার সঙ্গে জাতীয় ঐক্য হবে? জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিটা কী হবে? রাজাকার-আলবদর; মুক্তিযোদ্ধাদের যারা হত্যা করেছে, মা–বোনদের ধর্ষণ করেছে, আমাদের বাড়িঘর জ্বালায়ে-পুড়িয়ে ছারখার করেছে, তাদের সঙ্গে জাতীয় ঐক্য? তাদের সঙ্গে জাতীয় ঐক্য হবে কোত্থেকে? সুতরাং আপনারা (বিএনপি) রাজাকার-আলবদরদের নিয়ে থাকেন। ২০০৬ সালের ৪ জুন পল্টন ময়দানে জামায়াতের রোকন সম্মেলনে বিএনপি নেতারা ও তারেক রহমান বলেছিলেন, জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি এক পরিবার। ওই পরিবারের সঙ্গে কী করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির ঐক্য হয়? আর এ কারণেই অঙ্কের ভুল। ওনারা সূত্র জানেন না বলেই অঙ্ক মেলাতে পারছেন না।’

শাজাহান খান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে রক্ষা করতে হলে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে, যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করেছেন। বঙ্গবন্ধু সবাইকে নিয়ে সংগ্রাম করেছেন, রাজনীতি করেছেন। ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণেও বলেছেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলো। উনি শুধু আওয়ামী লীগকে বলেননি যে তোমরা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করো। সুতরাং সবাইকে নিয়েই রাজনীতি করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরেই যে কাজে হাত দিয়েছেন; ধীরে ধীরে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করলেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন