বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করতে ওয়ার্মআপ চলছে—বিএনপির মহাসচিবের এমন বক্তব্যের জবাব ব্রিফিংয়ে দেন ওবায়দুল কাদের।

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, কোনো ওয়ার্মআপেই কাজ হবে না। নেতিবাচক ও হঠকারী রাজনীতির কারণে জনগণ বিএনপিকে চিনে ফেলেছে।

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, যাদের (বিএনপি) পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যাচ্ছে, তারা আবার সরকার পতনের দিবা স্বপ্ন দেখছে! তারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিতে পারেনি।

বিএনপির নেতাদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকার পতন, আন্দোলন—এসব মুখরোচক শব্দ-বৃষ্টি করে কোনো লাভ নেই।

ওবায়দুল কাদের বলেন, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ব্যালটের মাধ্যম, তথা নির্বাচন ছাড়া সরকার পরিবর্তনের কোনো বিকল্প নেই। তাই অলিগলি পথে না হেঁটে নির্বাচনমুখী হওয়ার জন্য বিএনপির নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

সরকার নাকি স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, মানুষের অধিকার হরণ করেছে—বিএনপির নেতাদের এমন অভিযোগকে কাল্পনিক বলে অভিহিত করেন ওবায়দুল কাদের। জবাবে তিনি বলেন, বিএনপির নেতারা যখন এসব কথা বলেন, তখনো স্বাধীনতাবিরোধী উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী তাদের বগলদাবায়।

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশবিরোধী সব অপশক্তির অভিন্ন প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে বিএনপি। যারা নিজেরাই স্বাধীনতার চেতনা নস্যাতে জন্মলগ্ন থেকেই অপতৎপরতা চালাচ্ছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা এসেছে। আওয়ামী লীগই জনগণকে সঙ্গে নিয়ে স্বাধীনতার সুরক্ষা দিতে পারে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি এ দেশে ভোটারবিহীন নির্বাচন করে মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। হরণ করেছিল কৃষক-শ্রমিকের অধিকার। ভোট না দেওয়ার অভিযোগে তারা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন চালিয়েছিল। বিএনপি আগুন সন্ত্রাসের মাধ্যমে মানুষের স্বাধীন চলাচলের অধিকার হরণ করেছিল।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছেন। দেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে নিয়েছেন। এ জন্যই বর্তমান সরকারের উন্নয়নের রাজনীতিতে বিএনপি ঈর্ষাকাতর।

বিএনপি নিজেদের অন্ধকার ভবিষ্যৎ দেখে হতাশায় কাতর বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, জনগণের সামনে দাঁড়ানোর সাহস ও কথা বলার মতো কিছুই বিএনপির নেই। তাই বিএনপি মিথ্যাচারের সঙ্গী হয়েছে। অপপ্রচারের বন্ধু হয়েছে। তারা জোট বেঁধেছে অপরাজনীতির সঙ্গে।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন