বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রামের দামপাড়া পুলিশ লাইনসের মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভির। উপপুলিশ কমিশনার বিজয় বসাকের পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন, ‘দামপাড়া’ ছবির নায়ক ফেরদৌস খান, নায়িকা আশনা হাবীব ভাবনা, ছবির সংলাপ-রচয়িতা আনন জামান, পরিচালক শুদ্ধমান চৈতন, শহীদ শামসুল হকের সহধর্মিণী মাহমুদা হক চৌধুরী প্রমুখ।

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি যদি রাজপথেই খালেদা জিয়ার মুক্তি চায়, তাহলে সরকারের কাছে কেন আবেদন জানায় তাঁকে বিদেশ পাঠানোর জন্য। এই দ্বিচারিতা তো পরিহার করা উচিত তাদের। গাড়ি পোড়ানো এবং মানুষকে জিম্মি করে বোমা নিক্ষেপ করার হুকুমের মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও যে ধরনের রাজনৈতিক স্বাধীনতা তারা ভোগ করছে, সরকার এবং আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বিষোদ্‌গার করছে, অন্য কোনো দেশে এতটুকু করতে পারত কি না, সেটি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।’

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আরও বলেন, খালেদা জিয়া একজন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। প্রধানমন্ত্রী মহানুভবতা দেখিয়ে তাঁর দণ্ড স্থগিত রেখে তাঁকে মুক্ত রেখেছেন এবং তিনি তাঁর মতো করেই অর্থাৎ তাঁর পরিবার এবং দলের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন। সরকারের অধীনে তিনি চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন না। সুতরাং খালেদা জিয়ার যদি এখন স্বাস্থ্যের কোনো হানি হয়, এটির জন্য দায়ী হবে বিএনপি এবং তাঁর পরিবারের যাঁরা চিকিৎসক এবং যাঁরা তাঁর স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন তাঁরা।

এর আগে মহরত অনুষ্ঠানে হাছান মাহমুদ বলেন, দামপাড়া জায়গাটি একটি ঐতিহাসিক জায়গা। ১৯৩০ সালে এখানেই ছিল চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার। মাস্টারদা সূর্যসেন তাঁর বিপ্লবী বাহিনীকে নিয়ে এই অস্ত্রাগার লুণ্ঠন করে চট্টগ্রাম অঞ্চলকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য থেকে ১১ দিন স্বাধীন রেখেছিলেন। সেই ইতিহাস কিন্তু সবাই জানে না।

হাছান মাহমুদ আরও বলেন, দামপাড়ায় ১৯৩০ সালের ঘটনা আর ১৯৭১ সালের ঘটনার মধ্যে একটি বৈপরীত্য আছে। সেই বৈপরীত্যটি হচ্ছে ১৯৩০ সালে এখান থেকে অস্ত্র লুণ্ঠন করতে হয়েছিল। অস্ত্র লুণ্ঠন করে বিপ্লবীরা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলকে তাঁরা ১১ দিন স্বাধীন রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন। অন্যদিকে ১৯৭১ সালে লুণ্ঠন করতে হয়নি। বরং অস্ত্রাগারের যিনি রক্ষক ছিলেন পুলিশ সুপার শামসুল হক, তিনিই অস্ত্রগুলো বিতরণ করে দিয়েছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন