বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিএনপির মহাসচিব নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘সাত ঘণ্টা আমরা না খেয়ে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির জন্য দোয়া করেছি এবং তাঁর বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য অনশন করেছি। একই দাবিতে আগামী ২২ নভেম্বর ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ হবে। একই দিন দেশের সব জেলা, উপজেলা ও মহানগরে সমাবেশ হবে। এরপরও দাবি আদায় না হলে কর্মসূচি দেওয়া হবে।’

ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এটা আমাদের জীবন–মরণ সমস্যা। খালেদা জিয়ার সঙ্গে এ দেশের মাটি ও মানুষের সম্পর্ক। তিনি দেশের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, তাঁর জন্য যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে আমরা প্রস্তুত আছি।’

মির্জা ফখরুল ইসলামের বক্তব্যের পর বিকেল চারটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী পানি পান করিয়ে মির্জা ফখরুলের অনশন ভাঙান।

অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আজকে আমাদের দুর্ভাগ্য, খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য অনশন করতে হচ্ছে। জননেত্রী মুক্তিযুদ্ধের সময় শেষে সন্তানসহ কারাগারে ছিলেন, এরপর দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছেন, সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন, দেশের উন্নয়নে বিশাল অবদান রেখেছেন। আজ তাঁর চিকিৎসার জন্য আমাদের অনশন করতে হচ্ছে।’

খন্দকার মোশাররফ হোসেন অভিযোগ করেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসায় আইনি কোনো বাধা নেই, বাধা এ সরকার। একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে খালেদা জিয়া মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। তিনি রাজনৈতিক নোংরামি পরিহার করে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান।

অনশনে দিনভর বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০–দলীয় জোটের শরিক দলের শীর্ষ নেতা, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ১০০ নেতা বক্তব্য দেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন