বিজ্ঞাপন

রোজিনা ইসলামের ঘটনাটিকে রাজনীতিকরণ করা হয়েছে এবং দেশবিরোধী মহল এটি নিয়ে অতি তৎপর হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ফিলিস্তিনে নারী-শিশুসহ শত শত প্রাণহানি ঘটার পর বিবৃতি দিতে অনেক দিন সময় লাগলেও বিচারাধীন রোজিনা ইসলামের ইস্যুতে তারা পরদিনই বক্তব্য দিল।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাবেক ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মুশফিক ফজল জাতিসংঘ মহাসচিবের দপ্তরের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে গিয়ে একটি প্রশ্ন করে এক কর্মকর্তার কাছে থেকে সর্বজনীন গণমাধ্যমবিষয়ক একটি জবাব আদায় করেছেন। জাতিসংঘের একজন কর্মকর্তার বক্তব্য আর জাতিসংঘের উদ্বেগ এক নয়।

মন্ত্রী, সচিব বা রোজিনা ইসলাম কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন মন্তব্য করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের কোনো কর্মকাণ্ডকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে দেশবিরোধীরা যাতে দেশের ক্ষতি করতে না পারে, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।’

এ বিষয়ে বিএনপির মহাসচিবের দেওয়া বক্তব্য নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী হাছান বলেন, বিএনপি যখন রোজিনা ইস্যুতে বক্তব্য দিতে থাকে, তখন বুঝতে হবে, এটিকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে শিক্ষা উপমন্ত্রীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, মতের অমিল হলেই কাউকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা কখনোই সমীচীন নয়।

পরে তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন। এ সময় তিনি রোজিনা ইসলামের বিষয়টি আবেগতাড়িতভাবে না দেখে বাস্তবতার নিরিখে দেখার আহ্বান জানান।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন