বিজ্ঞাপন

অন্যদের মধ্যে দলের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য ফিরোজ আহমেদ, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূঁইয়া এবং জুলহাসনাইন বক্তব্য দেন। তাঁরা বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সাধারণ শিষ্টাচার ও ভদ্রতার ধার না ধেরে রোজিনা ইসলামকে পাঁচ–ছয় ঘণ্টা আটকে রেখেছেন, তাঁর ব্যাগ ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নিয়েছেন। গোপন নথি চুরির অপবাদ দিয়ে ব্রিটিশ উপনিবেশের তৈরি করা অফিশিয়াল সিক্রেটস আইনে তাঁর নামে মামলা করা হয়েছে এবং সারা রাত থানায় আটকে রাখা হয়েছে। রোজিনা ইসলাম অসুস্থ হয়ে পড়লেও তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা পর্যন্ত করা হয়নি।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন