বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন গত মঙ্গলবার বলেন, র‌্যাবের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ভারতের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অনাবাসী ভারতীয়রাও (নন–রেসিডেন্ট ইন্ডিয়ান-এনআরআই) মার্কিন সরকারকে এ বিষয়ে অনুরোধ জানিয়েছে।

আজ দেওয়া বিবৃতিতে গণসংহতি আন্দোলনের দুই নেতা বলেন, র‌্যাবসহ বিভিন্ন বাহিনির গুম-খুন এখন আর চাপা দেওয়া বিষয় নয়। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এবং আন্তর্জাতিক মহল থেকে বিচারবহির্ভূত হত্যার প্রসঙ্গকে দেশে-বিদেশে অনেকভাবে হাজির করা হয়েছে। বহু বছর ধরে বাংলাদেশের জনগণ এবং রাজনৈতিক দলগুলো গুম, খুন বন্ধ করার দাবি করে আসছেন। সরকার এ বিষয়ে কোনো কর্ণপাত করেনি। উল্টো যথাযথ তদন্ত না করে ‘বন্দুকযুদ্ধ’, ' ক্রসফায়ার'কে চালিয়ে যেতে দিয়ে এক অর্থে বৈধতা দিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার আক্রান্ত পরিবারগুলোর দাবি এবং মানবাধিকার সংগঠন ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে। এখন যখন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এসেছে, তখন সরকারের হুঁশ-জ্ঞান লোপ পেয়েছে। তারা ভারতের পায়ে–হাতে ধরছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মূলত এই সরকার ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখতে অপশাসন, নির্মমতাসহ যেকোনো কর্মকাণ্ডকে জায়েজ করতে চায়। একদিকে অভিযুক্ত বাহিনিকে ‘যা খুশি করার’ ইনডেমনিটি দিয়ে রেখেছে, যা একটা গণতান্ত্রিক দেশে কার্যত আইনের শাসনের বিরোধী।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন