বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দু দিনব্যাপী সভার শুরুর বক্তব্যে হাসানুল হক ইনু বলেন, একদিকে বিএনপি তাদের পুরোনো সঙ্গী জামাত-জঙ্গিদের সঙ্গে নিয়ে অসাংবিধানিক সরকার আনার অস্বাভাবিক রাজনীতির পথে থেকেই নতুন করে জল ঘোলা করা শুরু করেছে। সরকার প্রশাসনিক ও আইনগতভাবে জঙ্গিদের কাবু করলেও জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সর্ব ব্যাপক রাজনৈতিক লড়াইয়ের ঘাটতির কারণে জঙ্গিবাদের উৎপাদন ও পুনরুৎপাদন অব্যাহত রয়েছে। জঙ্গিবাদীরা বাংলাদেশ রাষ্ট্র-সংবিধান-মুক্তিযুদ্ধকে চ্যালেঞ্জ করছে। অন্যদিকে সরকার-প্রশাসনের চারদিকে দুর্নীতির চোরাবালি তৈরি হয়েছে।

ইনু বলেন, দুর্নীতির সিন্ডিকেট সরকারকে ঘিরে ফেলছে। গুন্ডাতন্ত্রের দাপট চলছে। জাতীয় অর্থনীতির সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং এত উন্নয়নের পরও নীতি-কাঠামোগত দুর্বলতা এবং মুক্তবাজার অর্থনীতির মোহ থেকে বের হতে না পারায় সামাজিক-অর্থনৈতিক বৈষম্য ভয়ংকরভাবে বেড়েই চলেছে। জঙ্গিবাদ-দুর্নীতির সিন্ডিকেট-গুন্ডাতন্ত্র-বৈষম্য মোকাবিলায় সকল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক অবস্থান গ্রহণ করার আহ্বান জানান হাসানুল হক।

সভায় দেশের সর্বশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর খসড়া রাজনৈতিক রিপোর্ট উপস্থাপন করেন দলের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার। খসড়া রাজনৈতিক রিপোর্টের ওপর আলোচনা করেন কার্যকরী সভাপতি রবিউল আলম,আনোয়ার হোসেন, মীর হোসাইন আখতার, আফরোজা হক, আব্দুল হাই তালুকদার, মোহাম্মদ ফজলুর রহমান, শহীদুল ইসলাম, শফি উদ্দিন মোল্লা, মোহর আলী চৌধুরী, নইমুল হক চৌধুরী, উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এম সবেদ আলী, সাবেক সাংসদ আব্দুল মতিন মিঞা, আফজাল হোসেন খান জকি, মোখলেছুর রহমান মুক্তাদির, আব্দুল্লাহিল কাইয়ূম, শওকত রায়হান, মোঃ মোহসীন, নইমুল আহসান জুয়েল, ওবায়দুর রহমান চুন্নু, মীর্জা মোঃ আনোয়ারুল হক, সৈয়দ শফিকুল ইসলাম, আব্দুল হাই মাহবুব, আব্দুল আলিম স্বপন, জাহাঙ্গীর আলম, রাজিউর রহমান, শফিকুর রহমান, সৈয়দা শামীমা সুলতানা হ্যাপী, নিলঞ্জনা রিফাত সুরভী, রোকেয়া সুলতানা প্রমুখ।

সভার শুরুতে ৪৫তম তাহের দিবস উপলক্ষে দলের মূখপত্র ‘লড়াই’ এর বিশেষ সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

সভায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সদস্য, জেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং বিশেষ আমন্ত্রণে কেন্দ্রীয় উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যরা অংশগ্রহণ করছেন। সভা কাল শনিবার রাত পর্যন্ত চলবে।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন