বিজ্ঞাপন

অতীতের ঐতিহ্য অনুযায়ী আওয়ামী লীগ গণমাধ্যমবিরোধী উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ১৯৭৫ সালে বাকশাল প্রতিষ্ঠা করে সব পত্রিকা বন্ধ করে বাকস্বাধীনতা ও লেখার স্বাধীনতা হরণ করা হয়। সে সময় পত্রিকা বন্ধ হওয়ার কারণে অসংখ্য সংবাদকর্মী বেকার হয়ে ছিলেন। আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসেও অনেক পত্রিকা ও টিভি চ্যানেল বন্ধ করে দিয়েছে। তারা গণমাধ্যমকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করছে। অনেক বরেণ্য সাংবাদিক নির্যাতিত হয়ে কারাভোগ করেছেন, দেশ থেকে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। অনেকে এখনো কারাগারে আছেন।
মির্জা ফখরুল দাবি করেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার শাসনামলে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা আরও বিকশিত হয়েছিল।

বিএনপি গণমাধ্যমের বন্ধু সেজে সাংবাদিকদের উস্কানি দিচ্ছে, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, এটা একেবারেই একটি মনগড়া এবং নিজেদের অপরাধগুলো ঢাকার জন্য একটি মন্তব্য। আওয়ামী লীগের সাংবাদিকতা, মুক্ত স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের প্রতি আচরণ ও ব্যবহার দেশের সব মানুষ জানে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, সরকার অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট ১৯২৩–এর প্রয়োগ, ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের মতো নিবর্তনমূলক আইন প্রণয়ন মুক্ত সংবাদিকতাকে ধ্বংস করছে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সংকুচিত করছে। সব ধরনের কালো আইন বাতিলসহ আটক সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানায় বিএনপি।

উপনির্বাচনে অংশ নেবে না বিএনপি

শূন্য হওয়া সংসদীয় পাঁচটি আসনের উপনির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের নির্বাচনব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ায় এবং নির্বাচন কমিশনের অযোগ্যতায় প্রতিটি নির্বাচনে সরকারের হস্তক্ষেপের কারণে আগামীতে লক্ষীপুর-২, সিলেট-৩, ঢাকা-১৪, কুমিল্লা-৫ আসনে উপনির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নেতা হাবিব উন নবী খান, শহিদ উদ্দিন চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান, তাইফুল ইসলাম, বেলাল আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন