মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বলেন, মুসলমান নারী ও পুরুষেরা যেন স্বাচ্ছন্দ্যে, সাগ্রহে, স্বতঃস্ফূর্ত চিত্তে, নিরাপদে, স্বাধীনভাবে ধর্মকর্ম পালন করতে পারেন, এ বিষয় সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে। কোনো মুসলিম নারী শিক্ষার্থী শিক্ষাঙ্গনে যদি পর্দাসহ শিক্ষা গ্রহণ করতে না পারে, এর ব্যর্থতার দায় সরকারকেই নিতে হবে। মুসলিম নারী শিক্ষার্থীরা তাদের ধর্মীয় পোশাক পরে শিক্ষাঙ্গনে যাবে, এটা তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা।

দেশে রকমারি সমস্যা দেখা দিয়েছে উল্লেখ করে মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বলেন, নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষদের যে কী দুর্বিষহ জীবন, রাজমহলে বসে তাদের দুর্ভোগ অনুভব করা সম্ভব নয়। মাছ–গোশত খাওয়ার চিন্তাই তাঁরা করেন না। এ সময় বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায় বাণিজ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন তিনি।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সহসভাপতি আবদুর রউফ ইউসুফী বলেন, সরকার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে। এর মধ্যে থাকলেও মানা যেত। কিন্তু মানুষের আর্থিক দৈন্যদশাকে উপহাস করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বেগুনের পরিবর্তে কুমড়া খাও।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দলটির সহসভাপতি উবায়দুল্লাহ ফারুক। তিনি বলেন, পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর ৫০ বছর অতিক্রম করলেও এখনো একটা রাজধানী সাজাতে পারলেন না আপনারা (বিভিন্ন সময় ক্ষমতায় থাকা রাজনৈতিক দল)। ফুটপাত সাজাতে পারল না। এখানে ফুটপাতেও মানুষ বাস করে। এ সময় দেশের আলেমদের রাজনীতি না করার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন তিনি।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন