বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জি এম কাদের বলেন, ৩ নভেম্বর রাত থেকে ডিজেল ও কোরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়ে ৮০ টাকা নির্ধারণ করে সরকার। সঙ্গে সঙ্গে বিনা নোটিশে পরিবহন ধর্মঘটের মাধ্যমে কোটি কোটি যাত্রীকে হয়রানি করছেন সড়ক পরিবহনমালিক ও শ্রমিকেরা। অথচ বিনা নোটিশে ধর্মঘট ডাকার অধিকার কারও নেই। এরপর সরকারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বাড়িয়ে দেওয়া হয় পরিবহনের ভাড়া। বিষয়টিকে সাধারণ মানুষের অনেকে সাজানো নাটক বলে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান কাদের বলেন, মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে সরকারিভাবে যেটুকু ভাড়া বাড়ানো হয়েছে, শ্রমিকেরা যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করছেন তার কয়েক গুণ বেশি। আবার ছাত্রদের কাছ থেকে অর্ধেকের স্থলে জোর করে আদায় করা হচ্ছে পুরো ভাড়াই। অন্যদিকে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করেছে, কিন্তু সরকারের তেলের দাম কমানোর কোনো চিন্তা আছে বলে মনে হয় না। আবার তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবহন ব্যয় বাড়ার অজুহাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে আকাশচুম্বী হয়ে যাচ্ছে। এ কারণে সাধারণ মানুষ সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন।

জি এম কাদের বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করেছে। তাই তেলের দাম কমাতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে সরকারকে। পাশাপাশি গণপরিবহনের ভাড়া নিয়ে সড়কের নৈরাজ্য কমাতে হবে। এ ছাড়া ছাত্রদের জন্য হাফ ভাড়া নিশ্চিত করতে হবে।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন