বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সব কলঙ্কের ইতিহাস তৈরি করেছে জিয়াউর রহমান এবং তার স্ত্রী খালেদা জিয়া। বাঙালির ভাগ্যকে নির্বাসনে দিয়ে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের পুনর্বাসন করেছে খুনি জিয়া ও তার দোসরেরা। প্রতিমন্ত্রী জিয়া পরিবারের ধারাবাহিক দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে বলেন, ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়া ক্ষমতাসীন হওয়ার পর ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রভাব খাটিয়ে এবং রাষ্ট্রযন্ত্রকে কাজে লাগিয়ে ২০০৬ সালের মধ্যে মাত্র ১৫ বছরে জিয়া পরিবার দেশে-বিদেশে অস্বাভাবিক সম্পদের মালিক হয়ে ওঠে। ভাঙা স্যুটকেস থেকে বেরিয়ে আসে জিয়া পরিবার, এগুলো বাঙালি জাতি ভুলে যায়নি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে জনগণের বিপুল ম্যান্ডেট নিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা গ্রহণের পর আওয়ামী লীগ সরকার এই দুঃশাসনের বিরুদ্ধে, অব্যবস্থার বিরুদ্ধে এবং রাষ্ট্রীয় দুর্নীতির বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিল। এই যুদ্ধকে শেখ হাসিনা চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন।

মুরাদ হাসান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বে বাংলাদেশে মহামারি মোকাবিলায় সরকারের জীবন ও জীবিকার সুষম নীতির কারণেই বাংলাদেশের উন্নয়নের বিষয়টি সম্ভব হয়েছে। দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়া বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের সব ক্ষেত্রে এগিয়ে গেছে। একসময় যে বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি বলে সমালোচনা করা হয়েছিল, সেই দেশ বিশ্ববাজারে বিনিয়োগের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী মুরাদ বলেন, ১৯৭৫–এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যার প্রত্যক্ষ মদদদাতা ছিল জিয়াউর রহমান। তার নির্দেশে ঘটানো হয় ইতিহাসের এই জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড। বিএনপি নির্যাতন, অন্যায়-অবিচার, শোষণ, প্রতিহিংসা ও ধ্বংসাত্মকের রাজনীতি করে। পক্ষান্তরে আওয়ামী লীগ ন্যায়বিচার, মানুষের অধিকার আদায় এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় রাজনীতি করে। এখানেই দুটি রাজনৈতিক দলের পার্থক্য। বিএনপির ধ্বংসাত্মক রাজনীতির কারণে জনগণ আজ এই পাকিস্তানের দালাল দলটিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। দলটি ধূলিসাৎ হওয়ার পথে।

অনুষ্ঠানে সাতপোয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রউফ ও সাধারণ সম্পাদক জয়নুল আবেদীন বক্তব্য দেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন