আজ রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’খচিত স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ (বাংলা পাঠ) এবং জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ আইন, ২০২১–এর মোড়ক উন্মোচন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এসব কথা বলেন।

সিইসি বলেন, তাঁরা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছেন। কারও কথায় নয়, আইনের শাসনের মধ্যে থাকার চেষ্টা করেছেন।

সব নির্বাচন সুষ্ঠু ছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, সব নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে, তা নয়। মারামারি হয়েছে, কোথাও ব্যালট ছিনতাই হয়েছে, আবার ধরা পড়েছে।

নির্বাচন বন্ধ হয়েছে। পুনরায় নির্বাচন হয়েছে। সুতরাং সব কটি নির্বাচন পরিপূর্ণ সুষ্ঠু হয়েছে, তা বলা যাবে না। কিছু নির্বাচন তো এমন হয়েছেই। আপনারাই (গণমাধ্যম) বলেন শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হচ্ছে, প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হচ্ছে। শীতের দিনে, রোদের মধ্যে নারী-পুরুষ লাইন দিয়ে ভোট দিচ্ছে, ৭০ শতাংশ ভোট দিচ্ছে, ইভিএমে ৭০ শতাংশ ভোট দিচ্ছে। এর চেয়ে সফল নির্বাচন আর কি হতে পারে?’

নূরুল হুদা বলেন, একটা পদের জন্য নির্বাচন করেন সাতজন, পাস করেন একজন। বাকি ছয়জনের সবাই তো বলেন না, কিন্তু সমালোচনা তো হবেই। সমালোচনা হবে, ভালো–মন্দ বলবে। এটা স্বাভাবিক; এ দেশের কালচার অনুযায়ী স্বাভাবিক।

নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের চিকিৎসা ব্যয় নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘এগুলো ব্যক্তিগত পর্যায়ের কথাবার্তা, আর বলবেন না।’