বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন একটি শাশ্বত দাবি। এই দাবি সব সময়ই জনগণ পোষণ করে। বর্তমান সরকার তিনটি নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচন শব্দকে নির্বাসিত করেছে। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় আমাদের নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনা বা আন্দোলনের দরকার নেই। যে যেই ব্যানারেই আন্দোলন করেন না কেন, আন্দোলনে একদফা শেখ হাসিনার সরকারের পতন। আমাদের সকল চিন্তা, চেতনা, সামর্থ্য, শক্তি একত্রিত করে এই আন্দোলনে নেমে পড়তে হবে।’

নির্বাচন কমিশন নিয়ে গয়েশ্বর বলেন, নির্বাচন কমিশনে কে থাকবেন, না থাকবেন- এই তর্কে কোনো সময় দেওয়ার দরকার নাই। আমাদের প্রত্যেকের মামলা, মোকদ্দমা, হয়রানি, নির্যাতন, কারাবাস সবকিছুর উত্তর এক জায়গায়, যার বিরুদ্ধে লড়ছি তাঁকে সরাতে হবে। আর যার জন্য লড়ছি সেই গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের সমালোচনা করে গয়েশ্বর বলেন, ‘তিনি গত দুই বছর একা ঘরে বসে থাকেন। বিশ্ব এখনো করোনা মুক্ত নয়। ১৮৬ জন এর বিশাল বহর নিয়ে সফরে গেলেন, কত টাকা খরচ হয়েছে সেটা পরের কথা। আমার প্রশ্ন হলো তাদের কতজন কত টাকা সঙ্গে নিয়ে বিদেশে রাখতে গেছেন সেটা জানার বিষয়। কারণ স্পেশাল ফ্লাইট যেটায় প্রধানমন্ত্রী যান, সেটার জন্য সব দরজা খোলা থাকে। ঢাকা এয়ারপোর্ট কিছু জিজ্ঞেস করে না। এ জন্য বড় সুযোগ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যাওয়া।

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘প্রশাসন এখন আপনাকে ব্ল্যাকমেল করছে, আপনার দলের নেতা কর্মীদের পাত্তা দেয় না। দল থাকলে আপনি থাকবেন।’

নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, ‘সব কথা বাদ দিয়ে সরকার পতনের আন্দোলনের ডাক দেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন না। এত দাবি দাওয়া কার কাছে করব। যারে মানি না তার কাছে কিসের দাবি।’

প্রজন্ম দলের সভাপতি জনি হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, হাবিবুর রহমান এবং ছাত্র দলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইছহাক সরকার প্রমুখ।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন