বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন ছাত্র ফ্রন্টের (মার্ক্সবাদী) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সালমান সিদ্দিকী ও সাধারণ সম্পাদক প্রগতি বর্মণ৷

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে স্যার এ এফ রহমান হলের ১১৫ নম্বর কক্ষে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক রিফাত হককে মারধর করেন হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজুল ইসলামের অনুসারী ফারহান তানভীর৷ ফারহান ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র৷

ছাত্র ফ্রন্টের বিবৃতিতে বলা হয়, স্যার এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতিকে নিয়ে ‘ইতিবাচক’ সংবাদ প্রকাশ না করায় সাংবাদিক রিফাত হককে মারধর করেন ছাত্রলীগ কর্মী ফারহান তানভীর৷ ছাত্রলীগ কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরেই ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের লাগাতার মারধর করছেন, হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন৷ গেস্টরুম নামক নির্যাতনকেন্দ্রে ছাত্রলীগ কর্মীরা যেমন প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের আচরণ শেখানোর নামে ভয়াবহ শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালান, তেমনি অন্যান্য বর্ষের শিক্ষার্থীরাও রক্ষা পান না তাঁদের হাত থেকে৷ একইসঙ্গে প্রশাসনের নীরবতাও দেখা যাচ্ছে৷

সারাদেশে আওয়ামীলীগ ‘স্বৈরাচারী শাসন’ কায়েম করেছে মন্তব্য করে ছাত্র ফ্রন্টের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই শাসনকে রক্ষা করতেই ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা ক্যাম্পাসে-ক্যাম্পাসে দখলদারিত্ব জারি রেখেছে৷ ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশের প্রধান অন্তরায় ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড৷ এছাড়া পুরো দেশেই সাংবাদিকদের ওপর নিপীড়ন-নির্যাতনের হার বেড়ে গেছে৷ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব হামলার সঙ্গে জড়িতরা সরকারের বা সরকারি দলের মদদপুষ্ট৷ সাংবাদিক রিফাত হককে মারধরের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও প্রশাসন এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেয়নি৷ আমরা এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মীর উপযুক্ত শাস্তি দাবি করি৷’

মারধরের ঘটনায় বিচার চেয়ে বৃহস্পতিবার রাতে এ এফ রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ কে এম সাইফুল ইসলাম খানের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন রিফাত হক৷ প্রাধ্যক্ষ বলেন, পরবর্তী কার্যদিবস রোববার এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি করা হবে৷

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন