বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সভায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলব নিয়ে তথ্যমন্ত্রীর বক্তব্য জানতে চান। কেন সাংবাদিক নেতাদের নাম ও পদবির পাশে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি–সমর্থিত লেখা হলো, এর কারণ জানতে চান তিনি। এ সময় সাংবাদিক নেতা মনজুরুল আহসান বুলবুলও শুধু একটি পেশার নেতাদের ব্যাংক হিসাব কেন তলব করা হলো, তার কারণ জানতে তথ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

জবাবে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়। কিন্তু সাংবাদিক সংগঠনগুলোর নেতাদের কেন একসঙ্গে করা হলো, সেটি আমারও প্রশ্ন। বিষয়টি আমি আপনাদের মতো পত্রিকায় দেখে খোঁজখবর নেওয়ার চেষ্টা করেছি। তবে আমি মনে করি, এতে উদ্বেগের কারণ নেই। যাঁদের ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে, তাঁদের আমি চিনি ও জানি। তাঁদের আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে আমি জ্ঞাত আছি। এতে উদ্বেগের কারণ আছে বলে আমি মনে করি না।’

সংবাদপত্র প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সেখানেও নানা অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা আছে। ডিএফপিতে পত্রিকার যে প্রচার সংখ্যা, সেটি যুগ যুগ ধরে একটি অবাস্তব সংখ্যা। পত্রিকা বের হয় তিন হাজার, কিন্তু প্রচার সংখ্যা দেখায় এক লাখ। পত্রিকা বের হয় পাঁচ হাজার, প্রচার সংখ্যা দেখায় দুই লাখ। আমরা সেখানেও একটি শৃঙ্খলা আনব।’

৪শ পত্রিকা দুই বছরে একটি সংখ্যাও ডিএফপিতে জমা দেয়নি জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যে ১২০টির মতো পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিল করা হয়েছে। কারণ এই পত্রিকাগুলো বের হয় না। তারা বিজ্ঞাপন পাওয়ার জন্য মন্ত্রণালয়ে দৌড়াদৌড়ি করে যেদিন বিজ্ঞাপন পায়, সেদিন ছাপায়। এতে করে মূল ধারার পত্রিকাগুলো বিজ্ঞাপন বঞ্চিত হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ডিইউজের বার্ষিক সাধারণ সভায় অন্যদের মধ্যে সংগঠনের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ, সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন