বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিকে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ায় সাংসদের পক্ষে গত বৃহস্পতিবার রাতেই সাতকানিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সোহরাব হোসেন চৌধুরী এই জিডি করেন।

জিডিতে ফেসবুক স্ট্যাটাস দেওয়া মোহাম্মদ কামাল উদ্দিনকে অভিযুক্ত করা হয়। তাতে বলা হয়, সাংসদ মোছলেম উদ্দিন আহমেদ ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক এম হোসেন কবিরের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির যে স্ট্যাটাস ফেসবুকে দেওয়া হয়েছে, তা মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর।

সাতকানিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুজন কুমার দে জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করে গতকাল রাত আটটার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি।’

এ ব্যাপারে সাংসদ মোছলেম উদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমে বলেন, ‘এটা ডাহা মিথ্যা, বানোয়াট। তাঁর বিরুদ্ধে আইসিটি মামলা হবে। তিনি এটা প্রতারণা করছেন আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য।’

কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করবেন বলে জানান উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক এম হোসেন কবিরও। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘থানায় আমরা নির্দেশে সোহরাব হোসেন জিডি করেছেন। আমি রোববার একটি মানহানির মামলা করব। কামালের সঙ্গে আমার পাঁচ বছর ধরে যোগাযোগ নেই। আমার ও মোছলেম উদ্দিন আহমেদের নামে এটা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ।’

ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে কামাল উদ্দিন ১৫ লাখ টাকার একটি চেকের ছবিও যুক্ত করে দেন। এটি সোনালী ব্যাংক কোর্ট হিল শাখার একটি চেক। তাতে পে টু–এর স্থানে লেখা মোসলেম উদ্দিন আহমেদ। নিচের অংশে কামাল উদ্দিনের সই রয়েছে। তবে চেকে কোনো তারিখ ছিল না।

স্ট্যাটাসে কামাল উদ্দিন একপর্যায়ে লেখেন, ‘আমি আমার চেক ও টাকা ফেরত চাই। অন্যথায় বিষয়টি নিয়ে আমি তৃণমূলের আশা–ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল জননেত্রী শেখ হাসিনার দ্বারস্থ হব এবং ফৌজদারি মামলা করতে বাধ্য হব।’

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন