বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এই প্রকল্পের লোন চুক্তি সম্পন্ন হবে। আমাদের তহবিলসংক্রান্ত কোনো সমস্যা নেই। এ ছাড়া বর্তমানে যে রাস্তা আছে, এটা যেভাবে আছে, থাকুক। অনেক মানুষ বিকল্প পথ হিসেবে এটি ব্যবহার করে। এখানে মানুষের যেন ভোগান্তি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। রাস্তা যেন ব্যবহারের উপযোগী থাকে।’

এই প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে কাদের বলেন, ‘আমি পরিষ্কার বলে দিতে চাই, শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে সব প্রকল্পের নির্মাণকাজ শেষ করা হবে। এখানে কোনো নয়ছয় করার সুযোগ নেই।’

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, এ প্রকল্পের মোট ব্যয় হবে ১৬ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার দেবে ৫ হাজার ৯৫১ কোটি টাকা এবং চীন সরকার (জিটুজি) দেবে ১০ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা।

প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, চার লেনবিশিষ্ট এই এক্সপ্রেসওয়ের দৈর্ঘ্য হবে ২৪ কিলোমিটার। এয়ারপোর্ট-আবদুল্লাহপুর-ধউর-বড় আশুলিয়া-জিরাবো-বাইপাইল হয়ে ঢাকা ইপিজেড পর্যন্ত হবে এর বিস্তৃতি। এর সঙ্গে র‍্যাম্প হবে ১০ দশমিক ৮৪ কিলোমিটার, নবীনগরে ১ দশমিক ৯২ কিলোমিটার, চার লেনের ২ দশমিক ৭২ কিলোমিটার সেতু ও ১৮ কিলোমিটার ড্রেন। প্রকল্পের কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা–আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্প পরিচালক মো. শাহাবুদ্দিন খান, আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ফারুক হাসানসহ প্রকল্পের অন্য কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন